আজিজুল হক, বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরে বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় তার জামাতা বাসেদ আলী পরশ (২৮) এবং শংকরপুর ইসহাক সড়কের আসহাবুল ইসলাম সাগর (৫০)–কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পরশ যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুলুর ছেলে। আসহাবুল ইসলাম সাগর একই এলাকার মৃত আব্দুল মতিন ওরফে মতিন দারোগার ছেলে।
নিহত আলমগীরের স্ত্রী শামীমা বেগম গ্রেপ্তার দুজনসহ অজ্ঞাত আরও তিন–চারজনকে আসামি করে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন।
রোববার (৪ ডিসেম্বর) পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ৩ জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের শংকরপুর ইসহাক সড়কে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন। ঘটনার পর পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলের আশপাশের ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। বিশ্লেষণ শেষে নেপথ্যের অন্যতম কারিগর হিসেবে দুজনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো চারজন শুটারের কাউকে এখনো শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা যায়নি। তারা সবাই ভাড়াটে খুনি বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার জানান, নিহতের জামাতা পরশের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ ও জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। একসময় পরশ ও তার স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদ হলেও পরে সামাজিকভাবে তা মীমাংসা করা হয়। প্রায় এক মাস আগে পরশের স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান।