শিরোনাম
◈ কলেরা প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ফিরদৌসী কাদরীর প্রশংসায় বিল গেটস!(ভিডিও) ◈ টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলির পর সালমান খানকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি, ভাইরাল অডিও ◈ ভারতীয় ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের জন্য আসছে নতুন পরিবর্তন ◈ আজ দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন ◈ তিন বছর পর ভারতে ফিরছে আইপিএল নিলাম, ১৬ ডিসেম্বর গোয়ায় বসছে ক্রিকেটার কেনাবেচার আসর? ◈ মোহাম্মদ রিজওয়ান এবার অ‌ধিনায়ক হ‌য়েই ফির‌ছেন পা‌কিস্তান দ‌লে ◈ বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে সিরিজ শুরুর আগে স্কোয়াডে পরিবর্তন আনলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকার ২০ জোনে বিশেষ নজরদারি কমিটি ◈ মৃত্যুর পরও রেহাই নেই : মর্গের হিমঘরে নারীর মরদেহের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ ◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া

প্রকাশিত : ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৩৯ রাত
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যশোরে বিএনপি নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা

আজিজুল হক, বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে (৫২) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শংকরপুর এলাকায় নয়ন কাউন্সিলরের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে। তিনি শংকরপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

নিহতের বড়ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর একটি মোটরসাইকেলে চড়ে বটতলা থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। তিনি হুদা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে পৌঁছালে কে বা কারা তাকে গুলি করে। সংবাদ পেয়ে তিনি সদর হাসপাতালে এসে তার ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান। বিএনপির সাত নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন জানান, নিহত আলমগীর হোসেন সাত নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং নগর বিএনপির সাবেক সদস্য।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার বিচিত্র মল্লিক জানান, নিহতের মাথার দুপাশে দুটি গুলির চিহ্ন আছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।

Advertisement

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মমিনুল হক জানান, তারা জেনেছেন শংকরপুর ইসহক সড়কে বিএনপি নেতাকে গুলি করা হয়েছে। তার কপালে ও মাথায় দুটি গুলি লেগেছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানার এবং আসামি আটকের চেষ্টা করছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, আলমগীর হোসেন অনেক আগে থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি পেশাগত জীবনে এলাকায় জমি কেনা-বেচায় জড়িত। ছোটভাই কামরুজ্জামান তার এই ব্যবসায়ের পার্টনার।

তিনি এলাকায় খুব সজ্জন মানুষ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে গরিব-দুঃখি মানুষ তার কাছ থেকে অনেক উপকৃত হয়েছেন। আলমগীর হোসেনের মোঝোমামা হাফিজুর রহমান মাস্টার এবং নোয়ামামা তৈয়বুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে জড়িত। তার আর এক মামা প্রয়াত আকবার হোসেন ওরফে আকবার ডাক্তারও ছিলেন জামায়াতের স্থানীয় নেতা।

আলমগীর হোসেনের মামাতোভাই শাহেদ হোসেন নয়ন ছিলেন যশোর পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ব্যক্তিজীবনে আলমগীর হোসেনের সাথে কারো কোনো বিরোধের কথা শোনা যায়নি। তিনি দিনের অধিকাংশ সময় ব্যবসায়ের কাজে যুক্ত থাকতেন। এরমাঝে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেন তিনি। ফলে, কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা কেউ অনুমান করতে পারছেন না।