শিরোনাম
◈ ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন যেভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো ◈ সমস্যাটা তো হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, গুলি কেন খেলেন ইশরাক ভাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ◈ বিরোধিতার নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা: তারেক রহমান ◈ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন, ইশরাকের বিষয়ে আরও যা বললেন আইনমন্ত্রী ◈ আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমি সেদিন কোনো ভুল করিনি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ◈ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে না আসায় বিরোধী দল শহীদ পরিবারকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কুমিল্লার সমেশপুরে সবজির চারা বিক্রিতেই ১৫ কোটি টাকার বাণিজ্য, লক্ষ্যমাত্রা ২০ কোটি! ◈ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাপানে কাজের নতুন সুযোগ, নিয়োগ শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে ◈ সৌদি আরবে ভারি বৃষ্টির জন্য চার অঞ্চলে রেড অ্যালার্ট জারি ◈ সর্বজনীন পেনশন নিয়ে সুখবর, যেভাবে লাভবান হবেন গ্রাহকেরা

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪৯ সকাল
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শাহ আমানত বিমানবন্দরে কাস্টমসের অভিযানে ৩০ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমসের অভিযানে বিপুল পরিমাণ আমদানি-নিয়ন্ত্রিত বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে এসব সিগারেট উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউসের এআইআর শাখার সহযোগিতায় বিমানবন্দরের ‘এ’ শিফট তল্লাশি কার্যক্রম চালায়। এ সময় ১ হাজার ৫১৪টি কার্টনে থাকা ‘মন্ড’ ব্র্যান্ডের মোট ৩ লাখ ২ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট জব্দ করা হয়।

এর মধ্যে দুবাই থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের (বিএস-৩৪৪) চারজন যাত্রীর কাছ থেকে ৯৮৯ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। ওই চার যাত্রী হলেন– মিজানুর রহমান (২৩০ কার্টন), মো. রেদোয়ান (২৭০ কার্টন), রেজাউল করিম (২৩৯ কার্টন) এবং সালাউদ্দিন (২৫০ কার্টন)। এ ছাড়া শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার (জি ৯৫২০) একটি ফ্লাইটে মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ৫২৫ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়।

Advertisement

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, আমদানি নীতি আদেশ ২০২২-২৫ অনুযায়ী সিগারেট একটি নিয়ন্ত্রিত পণ্য। এসব সিগারেটের প্যাকেটে সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বাণী এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষতিকর ছবি থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও জব্দ করা সিগারেটের ক্ষেত্রে তা প্রতিপালন করা হয়নি। উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্য হওয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ব্যাগেজের মাধ্যমে এসব সিগারেট চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, জব্দ করা সিগারেটগুলো ডিটেনশন মেমো (ডিএম) মূলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কাস্টমস আইনের আওতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

সূত্র: ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ