শিরোনাম
◈ দুই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে বার্সেলোনা শিবিরে জোড়া ধাক্কা ◈ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: রায়ের কপি পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ, জানালেন শামা ওবায়েদ ◈ কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে দেশের সব উপজেলায় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩, আরও যে তথ্য সামনে এসেছে ◈ ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন যেভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো ◈ সমস্যাটা তো হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, গুলি কেন খেলেন ইশরাক ভাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ◈ বিরোধিতার নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা: তারেক রহমান ◈ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন, ইশরাকের বিষয়ে আরও যা বললেন আইনমন্ত্রী ◈ আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমি সেদিন কোনো ভুল করিনি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ◈ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে না আসায় বিরোধী দল শহীদ পরিবারকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৪ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে রেকর্ড ফলন, ভালো দামে ফুলকপি চাষে সমৃদ্ধ হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শীতকালীন ফুলকপি চাষে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে পাচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা। অল্প সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় এ মৌসুমে ফুলকপি চাষ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে এখন সন্তুষ্টির হাসি।

উপজেলার বিভিন্ন ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে—শীতকালীন সবজিতে ভরে গেছে মাঠ। এর মধ্যে ফুলকপির চাষ হয়েছে ব্যাপকভাবে। জমি থেকে তুলেই কৃষকরা বাজারজাত করছেন কপি। ট্রাক বোঝাই করে পাঠানো হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে। ফলে উৎপাদন ও বাজার—দুই দিকেই ভালো অবস্থানে রয়েছেন চাষিরা। সাথী ফসল হিসেবেও অনেকে ফুলকপি চাষ করে বাড়তি আয় করছেন।

বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে ফুলকপি পাইকারি বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১২০০ টাকা দরে। খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি মূল্য ৪০ টাকা।

আন্দলবাড়িয়া করচাডাঙ্গাঁ  গ্রামের চাষি আজিবার রহমান জানান, “গতবার ভালো লাভ হওয়ায় এবারও ১ বিঘা জমিতে নিনজা জাতের ফুলকপি চাষ করেছি। প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। পুরো জমির কপি একবারেই ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। খরচ বাদে আড়াই মাসে ৫০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।”

বাঁকা গ্রামের চাষি আবু জাফর বলেন, “কচু চাষে লোকসান হওয়ায় সেই জমিতে ফুলকপি লাগাই। এবার ফলনও ভালো, বাজারও ভালো। পাইকারি ১১০০–১২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘায় প্রায় ১০০ মণ কপি উঠছে। এমন দাম থাকলে ভালো লাভ হবে।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন জানান, “এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও রোগবালাই কম থাকায় শীতকালীন সবজির ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলায় মোট ২৫৬ একর জমিতে ফুলকপি চাষ হয়েছে। কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন এবং লাভবান হচ্ছেন।“

  • সর্বশেষ