শিরোনাম
◈ ৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা পরিস্কার করা উচিত: মির্জা ফখরুল  ◈ চাহিদা ও দাম দুটোই কমেছে, ইউরোপে চাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত ◈ জামায়াতের বয়স ৮৪ বছর, ১০০ বছর নয়: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ অর্থ বিল সংশোধন করে করমুক্ত আয়সীমা ৪-৫ লাখ টাকা করা হচ্ছে ◈ কারিগরি ত্রুটিতে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, বাড়তে পারে লোডশেডিং ◈ প্রিপেইড মিটার রিচার্জে ভোগান্তি, নেই সমাধান ◈ জাপানের বিরুদ্ধে প্রথম দলে দেখা যাবে নেইমারকে? লাখ টাকার প্রশ্ন ব্রাজিল শিবিরে ◈ বিরোধী দল সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দেবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় সমঝোতা কি ভেস্তে যাবে ◈ জিম্বাবুয়ে গে‌লো বাংলা‌দেশ ক্রিকেট দল 

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫২ বিকাল
আপডেট : ২১ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসন পদ্মা নদী ও নদীর শাখা খাল বিল এবং জলাশয় মধ্যে রয়েছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী 

চরভদ্রাসন এবং সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন পদ্মা নদীতে ব্যাপকভাবে ছেয়ে গেছে কারেন্ট জাল ও চায়না দোয়ারী। পদ্মা নদী ও নদীর শাখা খাল বিল ও জলাশয় মধ্যে রয়েছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ শিকারের প্রতিযোগিতার শুরু হয়েছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজপ্রাণী।

জানা গেছে, পদ্মা নদীসহ খাল বিলে চায়না দোয়ারী ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকা ইলিশ, পোনা মাছ ও ডিমওয়ালা মা মাছ শিকার করা হচ্ছে। এ ছাড়া সব প্রকার দেশীয় প্রজাতির মাছ, পোকা-মাকড়, ব্যাঙ, সাপ, কুচিয়া মারা পড়ছে এই সব মরণফাঁদে। সেই সাথে রক্ষা পাচ্ছে না বিপন্ন জলজপ্রাণী শুশুকও। এ কারণে নদীতে বিলুপ্তর পথে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজপ্রাণী।

সকলের দাবি, পদ্মা নদীতে অবাধে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ শিকার করা বন্ধ না করলে আগামীতে নদী থেকে বিপন্ন প্রজাতির মাছ ও দেশি মাছগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে। যা আগামী প্রজন্মের কাছে শুধু ছবিতে ও গল্পেই শোভা পাবে।

জেলেরা বলছেন, স্থানীয় কিছু অসাধু জেলেদের কারণে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছসহ জলজ প্রাণীগুলো। নিষিদ্ধ কারেন্ট জালে আটকা পড়ে জাটকা ইলিশ, ডিমওয়ালা মা মাছ। যার কারণে ডিম ছাড়তে না পারায় ইলিশসহ দেশি প্রজাতির মাছ আর দেশে দেখতে পাব না। এসব অবৈধ মাছ শিকার করার মরণ ফাঁদগুলো অতি দ্রুত নদীতে  অভিযান চালিয়ে ধ্বংস করা প্রয়োজন।

মাছ বিক্রেতারা জানান, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে কিছু অসাধু জেলেরা নদী ও খাল-বিল থেকে অবাধে দেশীয় প্রজারি মাছ ধরে বিক্রি করছেন। আগামীতে এ মাছ ধরা বন্ধ করা হলে, এ দেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বিলুপ্ত প্রায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব বলেন, নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প পরিশ্রমে বেশি মাছ অপহরণে চায়না দুয়ারী এখন সারা দেশে আলোচিত বিষয়। মৎস্য অফিস মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী ব্যবহার যাতে না করে জেলেদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।পদ্মা নদীতে অসাধু মাছ জেলেরা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে অবৈধভাবে বারো মাসই থেকে মাছ শিকার করার চেষ্টা করে। কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী মাছ নিধনে দেশের বড় শত্রু।নিয়মিতভাবেই পদ্মা নদীতে অভিযান পরিচালনাসহ জাল উদ্ধার ও তা ধ্বংস করে আসছে। আগামীতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়