শিরোনাম
◈ স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ উরুগুয়ের ◈ বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে ঐকমত্য চীন-মালয়েশিয়ার ◈ তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ◈ তাজিয়া মিছিলে অংশ নেওয়া যুবককে ধাওয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা ◈ দুই বছর পর ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা ফিরছে: আবেদন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখুন এক নজরে ◈ ‘ডিবির হেফাজতে’ ছাত্রলীগ কর্মীর মারা যাওয়া ভিডিও ভাইরাল, কী ঘটেছিল? যা জানাগেল ◈ দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ভারতের ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আত্মগোপনে থাকা সাবেক এমপি ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত (ভিডিও) ◈ চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু ◈ বাংলাদেশ-চীনের যৌথ ঘোষণা: কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:০৫ দুপুর
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্কুলছাত্রী নিয়ে উধাও শিক্ষক

আমরা কী খাব, কীভাবে স্কুলে যাব তুমি কি একবারও ভাবোনি? ছেলের আবেগঘন পোস্ট ভাইরাল

বরগুনার আমতলীতে এক স্কুলছাত্রীকে নিয়ে উধাও হয়েছেন এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার নাম নিয়াজ মোর্শেদ নাদিম (৪০)। ঘটনার পর থেকে স্ত্রী-সন্তানরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

এর মধ্যেই বাবার উদ্দেশে ৮ বছর বয়সী ছেলে আরহামের ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, যা ছুঁয়ে গেছে অসংখ্য মানুষের হৃদয়।

পোস্টে বাবার উদ্দেশে ছোট্ট আরহাম লিখেছে- “বাবা, তুমি তো অনেক সুখে আছো, তাই না? কিন্তু আমাদের এ কেমন জীবনে রেখে গেলে?” সে আরও লিখেছে, “তুমি তো মারা যাওনি বাবা, তাহলে হারিয়ে গেলে কেন?”

আরও আবেগঘনভাবে আরহাম নিজের স্মৃতি তুলে ধরে লিখেছে- “জন্মের পর থেকে আমাকে কোলে নিয়ে ঘুরাতে, আমার কিছু না চাইলেও তুমি সবকিছু এনে দিতে। এখন আমরা দুই ভাইবোন হাত ধরে রাস্তায় ঘুরি, কিছু চাইতেও ভয় লাগে।”

জানা গেছে, বরগুনার আমতলী পৌরসভার প্রাণিসম্পদ অফিসপাড়া এলাকার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতির ছেলে নাদিম পেশায় একজন আইসিটি শিক্ষক। তিনি নিজ বাসায় শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন। সেই সূত্রে স্থানীয় একটি বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। অভিযোগ, এরপর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে ফেলে ওই ছাত্রীকে নিয়ে নাদিম উধাও হয়ে যান।

ঘটনার তারিখ হিসেবে জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর (বুধবার) থেকে তাদের কেউই আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি, তবে সামাজিকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আরহামের শেষ কথাগুলো ছিল অনেকটা বুকভাঙা কষ্টের প্রকাশ- “আমরা কী খাব, কীভাবে স্কুলে যাব তুমি কি একবারও ভাবোনি? দোয়া করি, পৃথিবীটা যেন তোমার কাছে জান্নাত হয়ে যায়।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়