শিরোনাম
◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা, ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা ◈ পুরান ঢাকার চকবাজারে ৮ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, কাজ করছে ১০ ইউনিট ◈ মোংলা ইপিজেডে ২১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ ব্যাংককে চলছে বাংলাদেশের বড় পরীক্ষা, জ্বালানি ও বাড়তি ব্যয়ের বোঝা সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ ◈ সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার যে ৫ কারণে রিমান্ড চাওয়া হয় ◈ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শান্তিতে আছি, প্রধানমন্ত্রীকে বললেন হিন্দু নেতারা ◈ ডি মারিয়ার জোড়া গোল, রোসারিওর সহজ জয় ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ইনিংস ঘোষণা, লিটনের সেঞ্চুরি, জয় দেখ‌ছে টাইগাররা ◈ ২৫ বছরের ক্ষমতার পর মোদির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ◈ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় ১০ নেত্রী

প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:২১ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবীনগরে নির্মাণের তিন বছরেও হস্তান্তর হয়নি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স 

মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডে মাঝিকাড়ায় অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালে সমাপ্ত হয়। নির্মাণ কাজ সমাপ্তের দীর্ঘদিন  হলেও এখনো তালাবদ্ধ তিন তলা দৃষ্টিনন্দন এ ভবন। এই কমপ্লেক্সের মধ্যেই নবীনগরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সম্বলিত স্মৃতি ফলকও নির্মিত হয়। 

ভবনটির ১ম তলায় মার্কেট ও ২য় তলায় অফিসের জন্য ৬টি কক্ষ এবং তৃতীয় তলায় একটি সম্মেলন কক্ষ রয়েছে। ২০১২ সালে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় ৬৪ জেলার ৪২১টি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য ১ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০১৫ সালের জুনে এই ভবনগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পের মেয়াদ দুই দফা বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ।

প্রতিটি ভবনের নির্মাণে খরচ হয় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ২০২৪ সালে সারা দেশে ৩৪ টি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স একসাথে উদ্বোধনের কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত হয়নি। পৌর ভবন সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা অফিসে স্থান সংকুলান ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা না থাকায় মুক্তিযোদ্ধারা কষ্ট করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। অথচ ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত কমপ্লেক্স ভবনটি তালাবদ্ধ। দীর্ঘদিন ব্যহার না করায় ভবনটির জানালার কাঁচ ভাঙা। নিচ তলায় দোকানের সার্টার ভাঙা, কোথাও বৃষ্টির পানি জমে আছে। একমাত্র নলকূপটি ও চুরি হয়ে গেছে। মূল গেইট না থাকায় যে কেউ অবাধে চলাচল করতে পারে।

নীতিমালা অনুযায়ী এই ভবনের ভাড়া বাবদ আয় থেকে শতকরা ১৫% ব্যয় হবে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে, বাকি ৮৫% জমা হবে সরকারি কোষাগারে। উদ্বোধনে বিলম্ব হওয়ায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার সামসুল আলম বলেন, আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ভবন বুঝে পাওয়ার দাবী জানালে তিনি জানান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে অচিরেই ভবন বুঝিয়ে দিবে।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিব চৌধুরী বলেন-"ভবনটি সংস্কারের পর শীঘ্রই উদ্বোধনের করে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চিঠি এসেছে , দ্রুত তা করা হবে"।

  • সর্বশেষ