শিরোনাম
◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক

প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:২১ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবীনগরে নির্মাণের তিন বছরেও হস্তান্তর হয়নি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স 

মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডে মাঝিকাড়ায় অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ ২০২৩ সালে সমাপ্ত হয়। নির্মাণ কাজ সমাপ্তের দীর্ঘদিন  হলেও এখনো তালাবদ্ধ তিন তলা দৃষ্টিনন্দন এ ভবন। এই কমপ্লেক্সের মধ্যেই নবীনগরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সম্বলিত স্মৃতি ফলকও নির্মিত হয়। 

ভবনটির ১ম তলায় মার্কেট ও ২য় তলায় অফিসের জন্য ৬টি কক্ষ এবং তৃতীয় তলায় একটি সম্মেলন কক্ষ রয়েছে। ২০১২ সালে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় ৬৪ জেলার ৪২১টি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য ১ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০১৫ সালের জুনে এই ভবনগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পের মেয়াদ দুই দফা বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ।

প্রতিটি ভবনের নির্মাণে খরচ হয় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ২০২৪ সালে সারা দেশে ৩৪ টি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স একসাথে উদ্বোধনের কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত হয়নি। পৌর ভবন সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা অফিসে স্থান সংকুলান ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা না থাকায় মুক্তিযোদ্ধারা কষ্ট করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। অথচ ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত কমপ্লেক্স ভবনটি তালাবদ্ধ। দীর্ঘদিন ব্যহার না করায় ভবনটির জানালার কাঁচ ভাঙা। নিচ তলায় দোকানের সার্টার ভাঙা, কোথাও বৃষ্টির পানি জমে আছে। একমাত্র নলকূপটি ও চুরি হয়ে গেছে। মূল গেইট না থাকায় যে কেউ অবাধে চলাচল করতে পারে।

নীতিমালা অনুযায়ী এই ভবনের ভাড়া বাবদ আয় থেকে শতকরা ১৫% ব্যয় হবে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে, বাকি ৮৫% জমা হবে সরকারি কোষাগারে। উদ্বোধনে বিলম্ব হওয়ায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার সামসুল আলম বলেন, আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ভবন বুঝে পাওয়ার দাবী জানালে তিনি জানান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে অচিরেই ভবন বুঝিয়ে দিবে।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিব চৌধুরী বলেন-"ভবনটি সংস্কারের পর শীঘ্রই উদ্বোধনের করে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চিঠি এসেছে , দ্রুত তা করা হবে"।

  • সর্বশেষ