শিরোনাম
◈ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আইন প্রণয়নে কাজ করছে সরকার : আইনমন্ত্রী ◈ গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ◈ ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৬ হাজার কোটি, তিন মাসে বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি ◈ সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি: বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট ◈ আমরা মক্কা জোটকে ইরানবিরোধী মনে করি না: ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ◈ স্পীকার-ভারতীয় হাইকমিশনার বৈঠক: জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব ◈ সরকারি বাসা বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তনের সুযোগ ◈ বিদিশার জামিন নামঞ্জুর ◈ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২৪, ০৭:১১ বিকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৫, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কথা বলার সময় নেই-নির্বাহী কুসিক

কুমিল্লায় সিটি করপোরেশন নির্বাহী প্রকৌশলীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ফরহাদ ভুইয়া, কুমিল্লা : কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাহী প্রকৌশলীর অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-করচারীরা।

মঙ্গলবার ( অক্টোবর) দুপুরে নগর ভবনের গেটে সিটি কর্পোরেশনের অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুল আলমের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষ মানববন্ধন করেন। 

এসময় তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিগত স্বেরাচারী সরকারের আমলা কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুল আলম বিএনপি করার অপবাদ দিয়ে  অসংখ্য কর্মচারীকে চাকরি থেকে বহিষ্কার  করেছে। এর তার অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে গণমাধ্যমের বক্তব্য দেওয়ায় সর্বশেষ অনেকের চাকরি থেকে বরখাস্ত করেন।
ভুক্ত ভোগীরা হলেন,নজির মিয়া,রনি,সুফিয়া আক্তার,জহির মিয়া,জীবন মিয়া,দুলাল হোসেন,জুয়েল রানা, সাগর ও রাকিব। তারা বলেন, আমাদের অপরাধ আমরা ওনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিডিয়ায় বক্তব্য দিয়েছি ও বিএনপির সমর্থক ছিলাম।

বিভিন্ন সূত্র জানা যায়, দীর্ষ ২০ বছরেও কুমিল্লার  মায়া ত্যাগ করতে পারেন নি কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এর নির্বাহী শামসুল আলম। অদৃশ্য এক মায়ায় আটকে আছেন তিনি, পেয়েছেন উপসচিব থেকে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদা।  দূর্নীতির দায়ে বেশ কয়েকবার দুদকের কাছে অভিযোগ যাওয়ার পরেও ক্ষমতাধরদের কারনে বার বার বেঁচে গেছেন এই কর্মকর্তা। 

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কুমিল্লার সেটেলম্যান্ট, পরিবেশ, ওয়াশা ও সিটি কর্পোরেশনে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সুসম্পর্ক রেখেছে সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে। ঠিকাদারদের সাথে সুসম্পর্ক থাকার কারনে পেতেন বিশেষ সুযোগ সুবিধা। করতেন নিয়োগ বানিজ্য, চেক জালিয়াতি, ডোবা-পুকুর ভরাট করে হোল্ডিং নাম্বার প্রদান, ওয়ার্ড সচিবদের চাকরি স্থায়ী করার লোভ দেখিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন ৩থেকে ৪ লক্ষ্য টাকা। দিয়েছেন অবৈধ ভাবে বিল্ডিং এর প্ল্যানপাশ। 

সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা জানায়, কাজ পাওয়ার জন্য এই কর্মকর্তার ঘরের বাজার পর্যন্ত করে দিতে হতো।  তার ঘনিষ্ঠ সহচর তুহিন ও সিটির  দক্ষিণ কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা কর্মচারিকে সাথে নিয়ে তার দূর্নীতির সম্রাজ্য চালাতেন শামসুল।

তারাই টাকা পয়সা খরচ করে তাকে এতদিন ধরে রেখেছেন এই চেয়ারগুলোতে। বিনিময়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। শামসুল নিজের ও স্ত্রী নামে করেছেন কোটি টাকার সম্পদ। উনার স্ত্রী গ্রামীন ফোন কম্পানীতে চাকরি করার কারনে কল রেকর্ড ফাস করে ব্ল্যাকমেইলের হুমকীও দিতেন যারা প্রতিবাদ করতেন তাদের। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুল আলম বলেন, আমার কথা বলার সময় নেই।

  • সর্বশেষ