শিরোনাম
◈ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আইন প্রণয়নে কাজ করছে সরকার : আইনমন্ত্রী ◈ গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ◈ ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৬ হাজার কোটি, তিন মাসে বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি ◈ সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি: বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট ◈ আমরা মক্কা জোটকে ইরানবিরোধী মনে করি না: ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ◈ স্পীকার-ভারতীয় হাইকমিশনার বৈঠক: জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব ◈ সরকারি বাসা বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তনের সুযোগ ◈ বিদিশার জামিন নামঞ্জুর ◈ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:৩৩ দুপুর
আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৪:৩০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’র খসড়ায় পাঁচ জায়গায় পরিবর্তন এনেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। যাচাই-বাছাই শেষে সংশোধিত আকারে বিলটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে কমিটি।

বুধবার (২ আগস্ট) জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কমিশন কর্তৃক তদন্তকালে কোনো আমলযোগ্য অপরাধের ঘটনা দেখতে পেলে এবং ওই ঘটনায় থানায় কোনো মামলা থাকলে আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করতে পারবে কমিশন। কমিশন চাইলে যেকোনো ঘটনার তদন্তও করতে পারবে। সেই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ছাড়া জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী প্রটোকলের আলোকে জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা ইউনিট (এনপিএম) প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই এনপিএম তার ইচ্ছেমতো যেকোনো স্থানে, বিশেষ করে আটককেন্দ্র, হাজতখানা ও সেইফ হোম পরিদর্শন করতে পারবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না। খসড়া বিলে পূর্বানুমতির বিধান থাকায় তা নিয়ে সমালোচনা উঠেছিল।

এ ছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটি কমিশন নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন নারী ও একজন নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে রাখা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে।

এর আগে, গত ২৭ আগস্ট আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ সংসদে উত্থাপন করেন। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ডেপুটি স্পিকার কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গত ৩০ আগস্ট সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও যাচাই-বাছাই করা হয়। বৈঠক শেষে প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ বিলটি সংসদে পাসের সুপারিশ করা হয়। সে অনুযায়ী আজ সুপারিশটি সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে নতুন আইনি কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ আনা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, নতুন আইনের মাধ্যমে কমিশনকে আরও কার্যকর ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও প্রতিকারের কাঠামো শক্তিশালী করা হবে।

সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পাঁচ জায়গায় সংশোধনসহ বিলটি আজ সংসদে উপস্থাপন করা হলে এসব পরিবর্তনের বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বিলটি পাসের জন্য সংসদে বিবেচনায় আসবে।

 

  • সর্বশেষ