শিরোনাম
◈ পুলিশকে স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে: আইজিপি ◈ বিএনপির নেতাকর্মীদের কারাগারে পাঠানো সরকারের প্রধান কর্মসূচি: মির্জা ফখরুল ◈ উপজেলায় ভোট কম পড়ার বড় কারণ বিএনপির ভোট বর্জন: ইসি আলমগীর  ◈ আত্মহত্যা করা জবির সেই অবন্তিকা সিজিপিএ ৩.৬৫ পেয়ে আইন বিভাগে তৃতীয় ◈ কুমিল্লায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন ◈ গোপনে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠাচ্ছে ভারত, জাহাজ আটকে দিয়েছে স্পেন ◈ দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন: ৬১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৪৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ৭১ শতাংশ প্রার্থী ব্যবসায়ী, কোটিপতি ১১৬ জন: টিআইবি ◈ ৩ বাসে ভাঙচুর, ট্রাফিক বক্সে আগুন, গুলিবিদ্ধ ১ ◈ ঢাকা মহানগরীতে ব্যাটারি-মোটরচালিত রিকশা চললেই ব্যবস্থা: বিআরটিএ

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০১:২৮ রাত
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০৫:০৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুষ্টিয়ায় মসজিদ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৪

ফয়সাল চৌধুরী: কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিত্তিপাড়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও মসজিদ কমিটি নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়েছে।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায়  সদর উপজেলার ইবি থানার উজানগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের বিত্তিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, উজানগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের বিত্তিপাড়া গ্রামের মৃত কলিল মন্ডলের ছেলে জাহিদুর মন্ডল (৫৫),  মৃত ফিকির মন্ডলের ছেলে মনি মন্ডল (৬০),  মৃত মকবুল মন্ডলের ছেলে খালেক মন্ডল (৫৫) ও  মৃত আহসান আলীর ছেলে আক্কাস মন্ডল (৫০)।

আহতরা সবাই উজানগ্রামের বিত্তিপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন মেম্বারের সমর্থক।

আহতরা জানান, মাগরিবের নামাজের পরে বৃত্তিপাড়া তেল পাম্পের নিকটে মোহিদ এর চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন তারা। হঠাৎ করে উজানগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বাক্কার সিদ্দীক ও তার লোকজন তাদের উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। সে সময় তারা বেশ কয়েকজনের নামও বলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , বিত্তিপাড়া গ্রামে প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের বিরোধ অনেক পুরনো। একপক্ষে নেতৃত্ব দেন উজানগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বাক্কার সিদ্দীক এবং অপরপক্ষে বিত্তিপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন মেম্বার।

সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার  শারমিন আক্তার জানান, "আমার মাধ্যমে জেলা পরিষদ থেকে বিত্তিপাড়া জামে মসজিদের গেটের জন্য  এক লক্ষ টাকা অনুদান পাই। 

পরবর্তীতে আবু বক্কর সিদ্দিকী  মসজিদে গিয়ে দাবি করেন সে এ  টাকা জেলা পরিষদ থেকে নিয়ে এসেছে যা সম্পূর্ণ  ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। সে সময় তিনি দাবি করে তাকে মসজিদ কমিটির সভাপতি বানাতে হবে। এই নিয়ে মসজিদে মধ্যে হট্টগোল বাধে।

এরপর  হোসেন মেম্বারের লোকজন বাজারে গোস্ত কিনতে আসে। লোক মুখে শুনেছি তখন সরদার পড়ার জামাল পাগল অর্থাৎ জামাল খোড়া হোসেন মেম্বারের এক সমর্থক্যে মারধর করে। পরবর্তীতে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে সেই সংঘর্ষে প্রায় ৭ জন আহত হয়। ওই মারামারি ঘটনা সমাধান না হওয়ার কারণে তারই যের ধরে আজকে অতর্কিতভাবে হোসেন মেম্বারের লোকজনের উপর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বাক্কার সিদ্দীকের সমর্থকরা এই হামলা চালিয়েছে।

তিনি আরো দাবি করেন, "জেলার শীর্ষ নেতারা উভয় পক্ষ লোকজনদের এক জায়গায় বসিয়ে এই মারামারি, এই সংঘর্ষ পুনরায় যাতে না হয়। সে বিষয়ে একটি সমাধান করে দেবেন। আমরা গ্রামের শান্তি চাই।"

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি মো. মামুন রহমান বলেন, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে আজকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে । এ সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জন অহত হয়েছে। বর্তমানে তারা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বিত্তিপাড়া গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ  মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়