শিরোনাম
◈ রাষ্ট্রপতির পদটিকে ব্যক্তি নয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখে বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দুর্বৃত্তের গুলিতে মিরপুরে যুবদল কর্মী নিহত, পথচারী গুলিবিদ্ধ ◈ মতিঝিলে নিষ্ক্রিয় করা বোমা ছিল আইআইডি: ডিএমপি ◈ ‘মেয়েটি গাজী নজরুলের সেবা করতে চেয়েছিল’, জামায়াতের আরেক এমপি (ভিডিও) ◈ স্বাধীনতার পর ১৮ রাষ্ট্রপতির মধ্যে মাত্র ৮ জন শেষ করেছেন পূর্ণ মেয়াদ ◈ রাষ্ট্রপতি পদ ছাড়ার পর কী কী সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন? ◈ দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে: ইসি মাছউদ ◈ ভারতীয় নাগরিকদের ভিসামুক্ত সুবিধা প্রত্যাহার, নতুন নিয়ম ৪ দেশে ◈ প্রথমবারের মতো দেশেই নির্মিত হচ্ছে সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ ◈ মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে ছাতার ভেতরে মিলল বোমা

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৭:৫৯ সকাল
আপডেট : ২৩ জুলাই, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিকল হয়ে আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্চুয়ারি কুলার (লাশ সংরক্ষণ যন্ত্র)। ফলে ময়নাতদন্তের জন্য আসা মরদেহগুলো পচে-গলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশে। সে সঙ্গে মরদেহ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় এখন মরদেহের বিভিন্ন আলামত নষ্টের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনের এক সপ্তাহেও হয়নি মেরামত বা বিকল্প উপযুক্ত ব্যবস্থা। ফরেনসিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে মর্গে আট থেকে ১০টি মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়।

আজ সোমবার দুপুরে মর্গে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের পাশে রাখা বিশেষ মর্চুয়ারি কুলার। যেখানে একসঙ্গে ৪০টি মরদেহ সংরক্ষণ করা যায়। তবে বর্তমানে সেটি বিকল হয়ে পড়েছে।

মর্গের কমপ্লেক্সের ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, একটি কক্ষের মেঝেতে সারি করে রাখা হয়েছে লাশগুলো। কয়েকটি রাখা হয়েছে লাশ পরিবহনের ট্রলিতে। তবে সেই কক্ষে নেই কোনো শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র।

এ বিষয়ে মর্গের দায়িত্বে থাকা (ইনচার্জ) রামু চন্দ্র দাস জানান, আগে পাঁচটি ছোট ফ্রিজারে লাশগুলো সংরক্ষণ করা হতো। সেসব ফ্রিজার বর্তমানে অকেজো হয়ে পড়েছে। ২০২১ সালে মর্গে স্থাপন করা হয় রেডক্রসের দেওয়া বিশেষ মর্চুয়ারি কুলার। যেখানে একসঙ্গে ৪০টি মরদেহ রাখা যায়। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে কুলারটি পুরোপুরি বিকল হয়ে পড়েছে।

এই অবস্থায় কীভাবে লাশ সংরক্ষণ করা হচ্ছে—জানতে চাইলে রামু চন্দ্র বলেন, নিরুপায় হয়ে লাশগুলো ফ্লোরে রাখা হচ্ছে, যদিও এখানে ইঁদুরের আক্রমণের সম্ভাবনা আছে! এভাবে লাশ থেকে বিভিন্ন আলামত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তা ছাড়া লাশের প্রকট গন্ধে বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারছেন না।

জানা গেছে, ফরেনসিক বিভাগ থেকে কুলার অকেজো হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে সেটি দ্রুত মেরামতের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদনপত্র পাঠানো হয়েছে। তবে প্রায় সপ্তাহ গড়াতে চললেও এখনো সেটির বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আবেদনপত্রে দেখা যায়, ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কাজী গোলাম মোখলেছুর রহমান মর্চুয়ারি কুলার অকেজো হয়ে পড়ার বিষয়টি অবগত করে লিখেছেন, এটি দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামত করা অতি জরুরি। আবেদনটি ২ জুন ইস্যু করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মাজহারুল শাহীন বলেন, ‘আমরা বিষয়টি অবগত আছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।’

সূত্র: আজকের পত্রিকা 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়