শিরোনাম
◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি! ◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা!

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:১৯ বিকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোহাম্মদপুরে খতনা করতে গিয়ে শিশুর গোপনাঙ্গ কর্তন: ভুয়া চিকিৎসক আটক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে খতনা করতে গিয়ে এক শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে এক ওষুধের দোকানিকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক খলিলুর রহমান কোনো ধরনের সনদ ছাড়াই মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার নিজ ফার্মেসিতে দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের খতনা করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তিনি এলাকায় ‘খলিল ডাক্তার’ নামে পরিচিত।

খলিল গত ২২ মার্চ ৯ বছর বয়সী এক শিশুর খতনা করাতে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গের খানিকটা অংশ কেটে ফেলেন বলে স্বজনদের অভিযোগ।

এর প্রেক্ষিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান।

ওসি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর দাদার দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ওষুধের দোকানিকে আটক করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পুলিশের কাছে দেওয়া অভিযোগে শিশুটির দাদা বলেছেন, ঈদের পরদিন গত ২২ মার্চ পরিবার তার নাতিকে খতনা করাতে খলিলের ফার্মেসিতে নিয়ে যায়। খতনা করানোর সময় ‘অবহেলায়’ খলিল তার নাতির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলেন।

ঘটনার পরপরই খলিল শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর রক্তপাত বন্ধ হলেও এ ঘটনায় শিশুটির স্বাভাবিক জীবন ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে বলে ভাষ্য তার দাদার।

ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে খলিলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের পাল্টা হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

‘খলিল মেডিকেল’ নামের ফার্মেসিটির মালিক খলিল চিকিৎসক নন, তিনি মূলত ফার্মাসিস্ট। তবে তার ফার্মেসির সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে, ‘অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সুন্নতে খতনা করানো হয়’।

পুলিশ বলেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খলিল দাবি করেন, খতনার সময় শিশুটিকে ধরে রাখা তার পরিবারেরই একজন ছেড়ে দিয়েছিল। এতে শিশুটি লাফ দিলে ওই ঘটনা ঘটে।

চিকিৎসক না হয়েও খতনা করানোর বিষয়ে খলিলের ভাষ্য, তিনি এ পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি খতনা করেছেন। খতনা করাতে তার ফি নির্ধারিত নেই, অনেক সময় বিনামূল্যেও করান। তাই অনেকে শিশুর খতনা করতে তার কাছে আসে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়