শিরোনাম
◈ এনআইডি সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার ফি বাড়াল ইসি ◈ বিশ্বকাপ চলাকালীন আর্জেন্টিনাবিরোধী প্রচারণায় টাকা খরচ ক‌রে‌ছে ব্রাজিলসহ ৩ দেশ: রাস্ট্রপ‌তি হাভিয়ের মিলেই ◈ প্রশাসনে বড় রদবদল, সচিবালয়ে নতুন মুখের অপেক্ষা ◈ সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে ‘মোদির পদত্যাগপত্র’, যা জানা যাচ্ছে ◈ রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর: জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ◈ খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ, ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’র কথা জানালেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর ◈ টেকসই কৃষি-সবুজ শিল্পে ঋণ কমেছে, বেড়েছে টেকসই অর্থায়ন ◈ বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নির্দেশনা সরকারের ◈ বন্ধ কারখানার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী যে সুখবর দিলে ◈ সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও বিক্রিতে লাগবে বাবা-মায়ের সম্মতি: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:১২ দুপুর
আপডেট : ২৩ জুলাই, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কারওয়ান বাজার অচল: মোবাইল ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড, আটক কয়েকজন

কাওরান বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্য ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী টিয়ারশেল ও সাইন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে।

আজ রবিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। কয়েক দফা দাবি নিয়ে কারওয়ান বাজার মোড়ে আজ জড়ো হন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।

এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৭টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। ছোড়া হয় টিয়ার গ্যাস। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীরা।
 
ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও র‍্যাব সদস্যরাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

জানা গেছে, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তিসহ কয়েক দফা দাবিতে রোববার পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। একইসঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশের সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেয় সংগঠনটি। 

ঘোষণা অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে ‘অবস্থান কর্মসূচি’ শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।

তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এতে বসুন্ধরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ প্রথম দফায় লাঠিপেটা করে ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

এরপর দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ আবার সড়কে এসে বসে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে ফের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। পরে ব্যবসায়ীদের আশপাশের শপিংমলের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়