শিরোনাম
◈ বাংলা‌দেশ- ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ছে? ◈ বি‌শ্বের সেরা টেস্ট দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: ওয়াসিম আকরাম ◈ বাংলাদেশের চাইতে পাকিস্তান বাজে দল, দাবি দেশটির সাবেক ক্রিকেটার কামরান আকম‌লের ◈ ইবোলা টিকা বাজারে আসতে আরও ৯ মাস লাগতে পারে: ডব্লিউএইচও ◈ কোটচাঁদপুরে মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, খুলনা-উত্তরবঙ্গ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ◈ পাকিস্তান থেকে আসা ২৮ টন বিট লবণ আটকাল চট্টগ্রাম কাস্টমস ◈ আরও দুটি গ্রিন কারখানা, বিশ্বের শীর্ষ ১০০ গ্রিন কারখানার ৫৩টিই বাংলাদেশের ◈ চিকেনস নেকে কৌশলগত তৎপরতা বাড়াচ্ছে ভারত ◈ ৩০ বছর পর ইউরোপা লিগে চ্যাম্পিয়ন অ্যাস্টন ভিলা ◈ গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন চায় বাংলাদেশ, নতুন কাঠামোর ভাবনায় ভারত

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২২, ০৬:৫৭ বিকাল
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২২, ০৬:৫৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রাজশাহীতে ধর্ষণের ভিভিও ছড়িয়ে দেয়ায় ভণ্ড কবিরাজের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

মঈন উদ্দীন : [২] ধর্ষণের ভিডিও ধারণের পর হুমকি, শেষে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় এক ভণ্ড কবিরাজকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনাল। জরিমানা করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

[৩] বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়াউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত আসামি পলাতক ছিলেন।

[৪] ওই কবিরাজের নাম আম-আমিন ওরফে আকিল সরদার ওরফে আকিল কবিরাজ (৬০)। তিনি নাটোর জেলার বরাইগ্রাম উপজেলার চাঁন্দাই গ্রামের আব্দুল বারী ওরফে ঝোলন সরদারের ছেলে। আর এই মামলাটিও নাটোরের বরাইগ্রাম থানার।
কবিরাজির নামে তিনি গ্রামের নারীদের বিভিন্নভাবে যৌন নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছিলেন। তবে সবশেষ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় পৃথক মামলা হয়।

[৫] এরপর থেকেই তিনি পলাতক। ধর্ষণের ঘটনায় নাটোরের নারী ও শিশু আদালতে অভিযুক্ত কবিরাজের বিরুদ্ধে আলাদা মামলা বিচারাধীন। রায় ঘোষণার পর রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ইসমত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

[৬] অ্যাডভোকেট ইসমত আরা বলেন, এ মামলায় তসলিমা খাতুনসহ দুজনই আসামি ছিলেন। তবে তদন্ত শেষে পুলিশ একজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। পরে মামলাটি নাটোর থেকে নিস্পত্তির জন্য রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে পাঠানো হয়।

[৭] আদালতে মামলার বাদী ও দুজন ভুক্তভোগীসহ মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এরপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় ঘোষণা করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়