শিরোনাম
◈ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা উৎপাদন শুরুর প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছে ◈ শুধু আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগ দিতে হবে: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ◈ গ্যাস সংকট, অর্ডার কমে যাওয়া ও লোকসানে শিল্পনগরী গাজীপুরে একের পর এক কারখানা বন্ধ, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবন ◈ বিশ্বকা‌পে আন‌ন্দের মা‌ঝে বেদনার সুর, শাস্তির মু‌খে মেক্সিকো  ◈ চীনের অর্থনৈতিক করিডোরে যুক্ত হতে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ কোথায় ◈ হরমুজ প্রণালী বি‌দে‌শি‌দের খেলার মাঠ নয়,যুক্তরা‌স্ট্রের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরান সামরিক সদরদপ্তরের ◈ ডেঙ্গুর থাবায় চট্টগ্রাম, চার গুণ বেড়েছে রোগী ◈ সবুজ জ্বালানিতে বড় বিনিয়োগ টানতে নতুন কৌশল নিচ্ছে সরকার ◈ খামেনির শেষ বিদায়: তেহরানে জড়ো হচ্ছেন লাখো মানুষ, কফিন পৌঁছাল হত্যাস্থলে ◈ বাংলাদেশের আগে ভারত টেস্ট সি‌রিজ খেল‌তে শ্রীলঙ্কায় যা‌বে

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২১, ০৬:৪৫ বিকাল
আপডেট : ২১ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:১২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি হস্তান্তর

আনিস তপন: [২] রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখা স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জার্সি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন দলের ম্যানেজার তানজীব মাজহার তান্নাসহ অন্যান্য খেলোয়াড়রা।

[৩] মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম স্মারক চিহ্ন হিসেবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের হাতে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য সুভাষ শাহর জার্সি (১৩ নম্বর) হস্তান্তর করা হয়।

[৪] মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অবদান অস্বীকার করার নয়। তারাও মুক্তিযোদ্ধা। তাদের নামে গেজেট করা হয়েছে।

[৫] স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, অনেক ত্যাগের পরে আজ এই স্বাধীন বাংলাদেশ। সবার অংশগ্রহণর ফলে এটা সম্ভব হয়েছে। আমি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্যদের ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাই না। তারাও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান।

[৬] যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেশের ক্রান্তিকালে বল পায়ে স্বাধীনতার পক্ষে জনমত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ফুটবলাররা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়। পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি। অস্ত্রের বদলে তাদের পায়ের ফুটবলই হয়ে উঠেছিল অস্ত্রের মত ধারালো। খেলার মধ্যেই ছিল প্রতিবাদের ভাষা।

[৭] স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের পতাকা নিয়ে ফুটবলাররা পশ্চিম বাংলা, বিহার, বেনারস, মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে ১৬ টি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেন। ম্যাচগুলো থেকে প্রাপ্ত কয়েক লাখ ভারতীয় রুপি জমা পড়ে মুক্তিযুদ্ধের তহবিলে। দেশের স্বাধীনতার জন্য ভিনদেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে অর্থ সংগ্রহ বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনেই বিরল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়