শিরোনাম
◈ সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু বাড়ছে ডলারের দর—তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ আমদানি-রফতানি কমেছে, বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি; স্বস্তি দিচ্ছে রেকর্ড রেমিট্যান্স ◈ স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল ◈ পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, দুই শ্রেণিতে নতুন চার বই ◈ মিত্রদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: বাস্তবায়ন হবে ৩১ দফা ও জুলাই সনদ ◈ ইতালির স্বপ্ন ভেঙে লিবিয়ায় বন্দিদশা, মুক্তিপণে দেড় কোটি টাকা দাবি ◈ প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ মানদণ্ডে ব্যর্থ, বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের ◈ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ থমকে গেছে: বাজারে আসছে না নতুন ওষুধ, হুমকিতে বিপুল বিনিয়োগ ◈ নেপালকে হারিয়ে সিরিজে ২-১এ এগি‌য়ে গে‌লো বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২১, ১২:২০ দুপুর
আপডেট : ০৬ অক্টোবর, ২০২১, ১২:২১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] অবৈধ সম্পদ অর্জন: পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

জেরিন আহমেদ: [২] যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত আলোচিত নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলায় দুদকের দেয়া চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলায় আগামী ৮ নভেম্বর চার্জ শুনানির দিন ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এ বদলির আদেশ দেন।

[৩] বুধবার (০৬ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আসামিদের উপস্থিতিতে এ চার্জশিট গ্রহণ করেন। খবর বাংলা নিউজ২৪.কম, ডিবসি টিভি

[৪] সোয়া ৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলায় গত বছর ৪ আগস্ট দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থার উপ-পরিচালক শাহীন আরা মমতাজ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় পাপিয়ার বিরুদ্ধে মোট ৬ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়েছে।

[৫] মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলের ২৫টি রুম ভাড়া নেন পাপিয়া। তিনি নগদে মোট ৩ কোটি ২৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৬১ টাকা বিল পরিশোধ করেন। ওয়েস্টিন হোটেলে থাকা অবস্থায় প্রায় ৪০ লাখ টাকার কেনাকাটা করেন পাপিয়া। এসব অর্থের কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি তিনি।

[৬] এছাড়া, ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালে এপ্রিল পর্যন্ত বাসা ভাড়া ৩০ লাখ টাকা, গাড়ির ব্যবসায় বিনিয়োগ ১ কোটি টাকা এবং নরসিংদীতে কেএমসি কার ওয়াশ সলিউশনে বিনিয়োগ ২০ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকে নিজের ও স্বামীর নামে জমা রাখা ৩০ লাখ ৫২ হাজার ৯৫৮ টাকারও কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি দুদকের অনুসন্ধানে।

[৭] অন্যদিকে, র‌্যাবের অভিযানে তার বাসা থেকে ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং সুমনের নামে হোন্ডা সিভিএ ২০১২ মডেলের ২২ লাখ টাকার গাড়ি জব্দ করা হয়। এরও কোনো বৈধ উৎস মেলেনি দুদকের অনুসন্ধানে।

[৮] এসব অর্থের বৈধ উৎসের দালিলিক প্রমাণ না পাওয়ায় পাপিয়া এবং তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমনের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়