প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক দ্বারা রোগী-স্বজন ও পুলিশকে মারধরের অভিযোগ

আব্দুল্লাহ মামুন: [২] বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে রোগী, রোগীর স্বজন ও পুলিশকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি দুই মাসের অন্তঃসত্ত¡া নারীর পেটে লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। সময়টিভি।

[৩] শনিবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে শজিমেক হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার হওয়া আছলাম বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার নন্দগ্রামের বাসিন্দা।

[৪] মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রাকিবুল হাসান ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্তঃসত্ত¡া নারী জয়নবের অবস্থার অবনতি ঘটলে তার স্বামী মাওলানা মুজাহিদী চিকিৎসকদের সহযোগিতা চান। তারা রোগীর কাছে আসতে না চাইলে প্রতিবাদ করায় বাগবিতÐার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ ইন্টার্ন ও চিকিৎসকরা মুজাহিদীকে রুমে আটকে রেখে মারপিট করেন। তার ভাই জাকিরকেও এসময় মারধর করা হয়। এসময় অন্তঃসত্ত¡া জয়নব স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার পেটেও লাথি ও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে আমি, কনস্টেবল শফিউল ও অরূপ বিশ্বাস গাইনি ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসকদের থামানোর চেষ্টা করলে আমাদেরকেও মারধর করেন চিকিৎসকরা। বাংলাট্রিবিউন।

[৫] পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে রোগীদের অবহেলা করা এবং সঠিক চিকিৎসানা দেওযার অভিযোগ অনেক দিনের। গত মার্চে ছুরিকাঘাতে আহত জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক তাকবির ইসলাম খান চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে মারা গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

[৬] তবে ঘটনাকে হট্টগোল বলে অবহিত করেছেন শজিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আবদুল ওয়াদুদ। তিনি বলেন, চিকিৎসকের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের কিছুটা হট্টগোল হয়েছিল। পুলিশ এলে তারাও এরসঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তবে মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি; শুধুই ধস্তাধস্তি হয়েছে। এছাড়া নারীর পেটে লাথি দেওয়ার কোনও ঘটনাও ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত