শওগাত আলী সাগর, ফেসবুক থেকে: বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন কোভিডের ভ্যাকসিন সংগ্রহে হন্যে হয়ে ঘুরছে, কানাডীয়ান ফ্রিজারে তখন প্রায় ২২ মিলিযন ডোজ ভ্যাকসিন অলস পরে আছে।এর মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভেই আছে ১০ মিলিয়ন ডোজ। বাকিটা বিভিন্ন প্রভিন্সে পাঠানো ভ্যাকসিনের অংশ। সংশ্লিষ্ট প্রভিন্স সেগুলো এখনো ব্যবহার করতে পারেনি।
এর আগেও অ্যাস্ট্রেজেনেকার অনেক ভ্যাকসিন মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ফেলে দিতে হয়েছে, অথচ কানাডা সেগুলো সহজেই অন্য কোনো দেশকে দিয়ে দিতে পারতো। ফ্রিজারে পরে থাকা বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিনও শেষ পর্যন্ত ফেলে দিতে হতে পারে বলে আংশকা রয়েছে।
কানাডার উচিৎ, নিজেদের কাজে না লাগলো মূল্যবান এই ভ্যাকসিনগুলো অন্যদেশকে দিয়ে দেয়া। বাংলাদেশ কূটনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ করে দেখতে পারে- অলস পরে থাকা ২২ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন থেকে কিছু অন্তত বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য নিতে পারে কী না।
১২ বছরের উর্ধ্ব ৭৩ শতাংশ কানাডীয়ানকে ইতিমধ্যে দুই ডোজ করে কোভিড ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। বাকিদের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন কানাডার হাতে মজুদ আছে। ফলে কানাডা খুব সহজেই বাড়তি ভ্যাকসিন অন্য দেশকে দিয়ে দিতে পারে।
শওগাত আলী সাগর: কানাডা থেকে প্রকাশিত নতুন দেশ-এর প্রধান সম্পাদক