শিরোনাম
◈ খাল খননের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, আসছে ‘মডেল খাল’ কর্মসূচি ◈ মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের অবহেলা নয়, সম্মান ও সহমর্মিতা দেখাতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ মানব পাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ : মার্কিন প্রতিবেদন ◈ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাইকেল চালিয়ে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ রেলের টিকিট কালোবাজারি ও পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন ◈ ম‌্যা‌ডিসন ১০ বছর পর মা‌ঠে ফিরে লজ্জার রেকর্ড কর‌লেন ◈ চাঁদা না পেয়ে ট্রাক এনে লুটপাট, সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? ◈ অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম, একাদশের সবার বয়স ৩০ বছ‌রের উপ‌রে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার সাম‌নে দিশাহারা বাংলা‌দেশ, নারী দল হার‌লো ৭ উইকেটে

প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০২১, ১০:৩৭ রাত
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২১, ১২:৫৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে দেখা মিলছে না রুপালী ইলিশ

উত্তম কুমার: কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে দেখা মিলছেনা রুপালী ইলিশ। দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা পর অনেক আশা নিয়ে গভীর সমুদ্রে যায় জেলেরা। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত ইলিশের দেখা পায়নি।

সাগর চষে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ট্রলার শুন্য হাতে ঘাটে ফিরে এসেছে। জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পরবে এসব জেলেদের স্বপ্ন ছিলো। কারো জালেই বড় ইলিশ ধরা পরেনি। তবে পেয়েছে সামান্য কিছু ছোট সাইজের ইলিশ। এতে বাজার খরচ ওঠেনি কারো। তারপরও লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে ফের সমুদ্রে যাচ্ছে ফিরে আসা ট্রলারগুলো ।

স্থানীয় জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, ৬৫দিনের অবরোধ শেষ হয়েছে গত ২৩ জুলাই। ২৪ জুলাই জেলেদের সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যাওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে যেতে পারেনি। এরপর তারা গত ২৭-২৮ জুলাই একযোগে ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সাগরে ইলিশের সন্ধান পায়নি।

এদিকে পোনে দুই লক্ষ টাকার বাজার নিয়ে ৭ দিন সমুদ্রে চষে ইঞ্জিণের ত্রুটি নিয়ে বুধবার দুপুরে ঘাটে ফিরছে এফবি জিহাদ নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার। ১৬ কেজি ইলিশ, ৪টি গোলপাতাসহ সামান্য কিছু টোনাফিস নিয়ে ঘাটে ফিরে ৪০ হাজার টাকা বিক্রয় করেছেন।

দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের অন্যতম মৎস্য বন্দর আলীপুর আড়ৎ পট্টিতে সাথে কথা হয় ট্রলারের মাঝি আব্দুল জলিলের। চোখে মুখে হতাশার ছাপ নিয়ে তিনি বলেন, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে বড় আশা নিয়ে সমুদ্রে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফিরে এসে ৪০ হাজার টাকা বিক্রয় করেছি। এতে ট্রলারের ১৮ জন জেলের পরিবার কেমনে চলে।

অপর এক ট্রলারের মিস্ত্রি ছগির হোসেন গাজী বলেন, তারা দেড় লক্ষ টাকার বাজার নিয়ে সমুদ্রে মাছ শিকারে যায়। তারা তীরে এসে মাছ বিক্রয় করেছেন ৫৫ হাজার টাকা। জালে ইলিশ ধরা পরবে এমন আশা নিয়ে এই লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আবার সমুদ্রে যাবো বলে তিনি জানিয়েছেন।

ট্রলার মালিক মো.আল-আমিন হাওলাদার বলেন, এভাবে চলতে থাকলে ট্রলার বিক্রয় করা ছাড়া উপায় থাকবে না।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো.মিজানুর রহমান বলেন, আড়ৎ পট্টির আড়ৎদাররা অনেক ধরা দেনা করে বর্তমানে ব্যবসা ঠিক রাখছেন। এখন সাগরে জেলেদের জালে মাছ না মিললে পালিয়ে এলাকা ছাড়তে হবে।

আলীপুর মৎস্য আড়ৎ সমবায় সমিতির সভাপতি মো. অনছার উদ্দিন মোল্লা বলেল, আড়ৎদাররা অনেক ধার দেনায় জর্জড়িত হয়ে গেছে। তবে সাগরে জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পরলেই আড়ৎদাররা সমস্যা থেকে উত্তোলন পাবে। আর এ মৎস্য বন্দরের ফিরে আসবে প্রানচাঞ্চল্যতা এমন প্রত্যাশা করেছেন তিনি।

  • সর্বশেষ