প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নোয়াখালীর গরু হাটে নেই কোনো স্বাস্থ্যবিধি

অহিদ মুুকুল: [২] স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে আসন্ন কোরবানি ঈদকে ঘিরে নোয়াখালী সদরের করমূল্যা বাজারে পশুর হাটসহ জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারগুলোতে গবাদি পশুর বেচাকেনায় মানুষের ভিড় দেখা গেছে। মুখে মাস্ক ছাড়াই হাটে গাদাগাদি করছে ক্রেতা-বিক্রেতারা।

[৩] এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা নীরব ভূমিকা পালন করায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

[৪] সচেতন ক্রেতারা বলছেন, আসন্ন কোরবানি ঈদে পশু বেচাকেনার জন্য প্রয়োজনে পশুরহাট সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী সড়ক ব্যবহার করে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা যায়।

[৫] নোয়াখালী সদর উপজেলায় গবাদি পশু বেচাকেনার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে এক দিনের জন্য ১৫টি বাজার ইজারা দেওয়া হয়েছে। এর বাহিরে সপ্তাহে দুই দিন করে নিয়মিতভাবে বেশ কয়েকটি বাজারে পশু বেচাকেনা চলছে।

[৬] সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবে স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা হলেও জেলার পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির বালাই মানছেন না কেউ। ক্রেতা-বিক্রেতারা সবকিছুকে হালকা করে দেখায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।

[৭] শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার করমূল্যা বাজার থেকে গবাদি পশু কিনতে আসা আতিকুর রহমান ও আলমগীর হোসেন জানান, কোরবানির ঈদ নিকটে এসে গেছে। তাই গবাদি পশু কেনার জন্য বাজারে এসেছি।

[৮] পশুর হাটে গরু-ছাগলের দাম স্বাভাবিক হলেও স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানছে না কেউই। বাজারে কাউকে মনিটরিং করতে দেখা যায়নি। যে কারণে আমরা বেশ আতঙ্ক বোধ করছি। একই সাথে তারা সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন।

[৯] করমূল্যা বাজারের ইজারাদার জিল্লুর রহমান, করমূল্যা বাজার দীর্ঘ ৩ মাস করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ ছিলো। বাজার বন্ধ থাকায় ইজারাদারা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। আজকের এটি অস্থায়ী বাজার।

[১০] এ বাজারে আমরা যথার্থ চেষ্ঠা করছি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিটি ক্রেতাবিক্রেতা যেন মুখে মাস্ক পরে গবাদি পশু কিনতে বাজারে আসেন। আমরা মাইকিং করে জনগণকে সচেতন করার চেষ্ঠা করছি। সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আমরা গবাদি পশুর হাট পরিচালনা করেছি।

[১১] সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার ফারহানা জাহান উপমা জানান, স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সদর উপজেলায় ৩৩টি কোরবানীর পশুর হাটের স্থলে এবার ১৫টি হাট বসানোর জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। এতে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ক্রেতা বিক্রেতারা তাদের পছন্দের পশু বেচাকেনা করছেন। আমরা সার্বক্ষনিক বাজারগুলো মনিটরিং করছি।

 

সর্বাধিক পঠিত