এসএম আল-আমিন, চীন থেকে: চীনের চংচিং ও চেংদুতে দুদিন ব্যাপী চীন-দক্ষিন এশিয়া উন্নয়নমূলক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোর মধ্য চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বৃদ্ধি, চীনের দারিদ্র নিরসনের অভিজ্ঞতা অন্যসকল দেশে অনুশীলন ভাগ করে নিতে চীন- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর দারিদ্র বিমোচন এবং সমবায় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
৮ ও ৯ জুলাই এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূলত ২৭ এপ্রিল ২০২১ চীনের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি উ জিয়াংহাও বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকার পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সাথে ভিডিও কনফারেন্স আয়োজন করেছিলেন। এতে চীন- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর দারিদ্র বিমোচন এবং সমবায় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়। তারই প্রতিফলন দুদিন ব্যাপী এই সম্মেলন। তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্য চিন এই প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান দুটি প্রতিষ্ঠা করে তাঁর অঙ্গিকার বাস্তবায়ন করেছে।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পিআরসির সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিঃ উ জিয়াংহাও। উপস্থিত ছিলেন চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান, আফগানিস্তান, নেপাল, পাকিস্তান এবং চীনে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূতগণ।
সম্মেলনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মাহবুব উজ জামান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে এবং চীন এখন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য ও উন্নয়নের অংশীদার। তিনি মহামারী চলাকালীন বাংলাদেশে ভ্যাকসিন এবং অন্যান্য চিকিৎসা সরবরাহের জন্য চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, চীন-দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ দারিদ্র্য বিমোচন ও সমবায় উন্নয়ন কেন্দ্র দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি থেকে দারিদ্র্য বিমোচনের কার্যকর পরিকল্পনা এবং কর্মসূচির গবেষণা ও বিকাশের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্বের কেন্দ্র হিসাবে কাজ করবে।
অন্যান্য সকল রাষ্ট্রদূতরা তাদের দেশগুলিতে ভ্যাকসিন এবং অন্যান্য জরুরি চিকিৎসা সরবরাহ করে চীনকে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানায়। তারা যে কোন মহামারী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় একসাথে কাজ করার দৃঢ় সংকল্প এবং প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।