শিরোনাম
◈ একটি গবেষণা রকেট যেভাবে পারমাণবিক যুদ্ধ বাধিয়ে ফেলেছিল প্রায় ◈ এক হালি ডিমের দামেও মিলছে না একটি লেবু ◈ দুর্বল উলভসকে হারা‌তে পার‌লো না আর্সেনাল ◈ ইমরান খা‌নের অসুস্থতা নিয়ে পাকিস্তান সরকারকে তোপ সৌরভ গাঙ্গু‌লির, উদ্বেগে আজহারও ◈ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ কতটা মোকাবেলা করতে পারবে বিএনপি সরকার? ◈ ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় বাংলাদেশ, ৭০ দেশের নৌবাহিনীর অংশগ্রহণ ◈ যে কারণে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে হোটেলের বাসন মাজতে হলো হ‌কি খেলোয়াড়দের ◈ আজ বাংলামোটরে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি ◈ রমজানে মেট্রোরেল চলবে নতুন সময়সূচিতে, ট্রেনে ইফতার করা নিয়ে যা বললো কর্তৃপক্ষ ◈ শেখ বশিরউদ্দীনকে বিমানের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দিলো সরকার

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৬:৪৯ সকাল
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৬:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নতুন পারিবারিক কবরে ছেলের দাফন হলো আগে,বলেই অঝোরে কাঁদলেন বাবা

অহিদ মুকুল: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশির হাটে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সমর্থক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির। তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছেছে।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মরদেহ তার বাড়িতে পৌঁছাতেই স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। মরদেহ দেখে বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন তার মা। এসময় স্বজনদের আহাজারিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন সহকর্মী ও স্থানীয়রা।

নিহত বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির একই উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াব আলী মাস্টারের ছেলে। মুজাক্কির সাত ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। বোনের বাড়িতে থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতেন। চলতি বছর সে নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করে।

মুজাক্কির অনলাইন পোর্টাল বার্তা বাজার ও দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

নিহত মুজাক্কিরের বাবা মাস্টার নোয়াব আলী বলেন, মুজাক্কিরের মরদেহ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাড়ি এসে পৌঁছেছে। রাত ৮টায় স্থানীয় আজগর আলী দাখিল মাদরাসা মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এসময় তিনি নতুন পারিবারিক কবরে ছেলের দাফনই সবার আগে হলো বলেই অঝোরে কাঁদেন।

তিনি বিলাপ করতে করতে বলেন, আমার বয়স ৭৫ চলছে। তার মাও বয়োবৃদ্ধ। কিছু দিন আমাদের বয়সের কথা চিন্তা করে আমাদের জন্য একেবারে নতুনভাবে একটি পারিবারিক কবরস্থান তৈরি করি। কিন্তু আজ আমরা সবাই রয়ে গেলাম। পরিবারের সবার ছোট মুজাক্কিরের সবার আগে ওই কবরস্থানে দাফন হলো।

বড় ভাই ফখরুদ্দিন মুফাচ্ছির জানান, মা শোকে পাথর হয়ে গেছেন। ছোট ছেলে হিসেবে মুজাক্কির ছিল মায়ের অনেক আদরের। তার মৃত্যুতে মা নিজেকে কিছুতেই সামলাতে পারছেন না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়