শিরোনাম
◈ ২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমান, বৃহস্পতিবার যাবেন রাজশাহীতে ◈ চানখারপুলে ৬ হত্যা: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুরসহ ৮ জনের রায় আজ ◈ গাবতলীতে চালু হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ স্থায়ী পাইকারি ফুলের বাজার ◈ নারায়ণগঞ্জে মাদক ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার তারেক রহমানের ◈ গভীর রাতে বিসিবি সভাপতি বুলবুলের দেশ ছাড়ার গুঞ্জন! ◈ জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ প্যারোল কী, কারা পান এবং কীভাবে—বাংলাদেশের আইন কী বলে ◈ ভোটকেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও ভোট গণনা করা যাবে না: ইসির পরিপত্র জারি ◈ ক্ষমতায় গিয়ে কথা না রাখলে জবাব দিতে হবে: তারেক রহমান ◈ ইতিহাসের সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৬:৪৯ সকাল
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৬:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নতুন পারিবারিক কবরে ছেলের দাফন হলো আগে,বলেই অঝোরে কাঁদলেন বাবা

অহিদ মুকুল: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশির হাটে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সমর্থক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির। তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছেছে।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মরদেহ তার বাড়িতে পৌঁছাতেই স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। মরদেহ দেখে বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন তার মা। এসময় স্বজনদের আহাজারিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন সহকর্মী ও স্থানীয়রা।

নিহত বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির একই উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াব আলী মাস্টারের ছেলে। মুজাক্কির সাত ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। বোনের বাড়িতে থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতেন। চলতি বছর সে নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করে।

মুজাক্কির অনলাইন পোর্টাল বার্তা বাজার ও দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

নিহত মুজাক্কিরের বাবা মাস্টার নোয়াব আলী বলেন, মুজাক্কিরের মরদেহ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাড়ি এসে পৌঁছেছে। রাত ৮টায় স্থানীয় আজগর আলী দাখিল মাদরাসা মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এসময় তিনি নতুন পারিবারিক কবরে ছেলের দাফনই সবার আগে হলো বলেই অঝোরে কাঁদেন।

তিনি বিলাপ করতে করতে বলেন, আমার বয়স ৭৫ চলছে। তার মাও বয়োবৃদ্ধ। কিছু দিন আমাদের বয়সের কথা চিন্তা করে আমাদের জন্য একেবারে নতুনভাবে একটি পারিবারিক কবরস্থান তৈরি করি। কিন্তু আজ আমরা সবাই রয়ে গেলাম। পরিবারের সবার ছোট মুজাক্কিরের সবার আগে ওই কবরস্থানে দাফন হলো।

বড় ভাই ফখরুদ্দিন মুফাচ্ছির জানান, মা শোকে পাথর হয়ে গেছেন। ছোট ছেলে হিসেবে মুজাক্কির ছিল মায়ের অনেক আদরের। তার মৃত্যুতে মা নিজেকে কিছুতেই সামলাতে পারছেন না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়