শিরোনাম
◈ জামায়াতের বিরোধিতা করতে বিএন‌পি নির্বাচনী প্রচারণায় মুক্তিযুদ্ধকেই কেন সামনে আনছে? ◈ বিশ্বকাপের আগে একাধিক পরিবর্তন ক্রিকেটের নিয়মে ◈ ক্যান্টনমেন্টে ব্যক্তিগত অস্ত্র বা গানম্যান নেওয়ার বিধান কী? ◈ মধ্যরাতে তিন গ্রামের সংঘর্ষ, আহত পুলিশসহ ১৫ ◈ চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধে রপ্তানি সংকট: কর্মবিরতিতে আটকা ১৩ হাজার কনটেইনার, ঝুঁকিতে ৬৬ কোটি ডলারের বাণিজ্য ◈ আওয়ামী লীগ দুর্গের ২৮ আসন এবার বিএনপির জয়ের পাল্লা ভারী ◈ নিউক্যাসলকে হারিয়ে ম্যানচেস্টার সিটি লিগ কা‌পের ফাইনালে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান প‌্যাট কা‌মিন্স বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার আশায় ◈ ‘খেলার মাঠে রাজনীতি নয়’: বাংলাদেশের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করেছি : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ◈ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের তাণ্ডব: এক গ্রামেই ১৬২ জনকে হত্যা, পুড়িয়ে দেওয়া হলো রাজপ্রাসাদ

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৬:৪৯ সকাল
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৬:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নতুন পারিবারিক কবরে ছেলের দাফন হলো আগে,বলেই অঝোরে কাঁদলেন বাবা

অহিদ মুকুল: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশির হাটে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সমর্থক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির। তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছেছে।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মরদেহ তার বাড়িতে পৌঁছাতেই স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। মরদেহ দেখে বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন তার মা। এসময় স্বজনদের আহাজারিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন সহকর্মী ও স্থানীয়রা।

নিহত বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির একই উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াব আলী মাস্টারের ছেলে। মুজাক্কির সাত ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। বোনের বাড়িতে থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতেন। চলতি বছর সে নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করে।

মুজাক্কির অনলাইন পোর্টাল বার্তা বাজার ও দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

নিহত মুজাক্কিরের বাবা মাস্টার নোয়াব আলী বলেন, মুজাক্কিরের মরদেহ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাড়ি এসে পৌঁছেছে। রাত ৮টায় স্থানীয় আজগর আলী দাখিল মাদরাসা মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এসময় তিনি নতুন পারিবারিক কবরে ছেলের দাফনই সবার আগে হলো বলেই অঝোরে কাঁদেন।

তিনি বিলাপ করতে করতে বলেন, আমার বয়স ৭৫ চলছে। তার মাও বয়োবৃদ্ধ। কিছু দিন আমাদের বয়সের কথা চিন্তা করে আমাদের জন্য একেবারে নতুনভাবে একটি পারিবারিক কবরস্থান তৈরি করি। কিন্তু আজ আমরা সবাই রয়ে গেলাম। পরিবারের সবার ছোট মুজাক্কিরের সবার আগে ওই কবরস্থানে দাফন হলো।

বড় ভাই ফখরুদ্দিন মুফাচ্ছির জানান, মা শোকে পাথর হয়ে গেছেন। ছোট ছেলে হিসেবে মুজাক্কির ছিল মায়ের অনেক আদরের। তার মৃত্যুতে মা নিজেকে কিছুতেই সামলাতে পারছেন না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়