শিরোনাম
◈ পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে শুরু রোজা ◈ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে: ইসি ◈ মানবিক সফরে ঢাকায় এলেন বিশ্বকাপজয়ী মেসুত ওজিল ◈ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না, নীতিমালা জারি ◈ স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ জাতীয় জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট ◈ নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় যাঁরা ◈ নতুন চাকরি পেলেন সদ্যসাবেক প্রেস সচিব শফিকুল

প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:০০ দুপুর
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ড. আসিফ নজরুল : প্রতিবেদনে পরিবেশিত বিষয়গুলোর উপযুক্ত উত্তর দেশবাসীকে জানানো দরকার

ড. আসিফ নজরুল : সেনাপ্রধানের ভাইদের কাজকর্ম এবং তাদের সাথে তার যোগাযোগ নিয়ে আল-জাজিরার সচিত্র প্রতিবেদন বহু মানুষ দেখেছে, দেখছে। এর উত্তরে সরকারিভাবে দুটো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এসবে আল-জাজিরার প্রতিবেদনে পরিবেশিত তথ্যের উত্তর তেমনভাবে নেই। আছে প্রতিবেদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ। বলা হচ্ছে আল-জাজিরার প্রতিবেদন অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রমূলক। এটি যে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রমূলক তা আমরাও বিশ্বাস করতে চাই। কিন্তু এজন্য প্রতিবেদনে পরিবেশিত বিষয়গুলোর উপযুক্ত উত্তর দেশবাসীকে জানানো দরকার। যেমন: প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে সেনাপ্রধানের একজন ভাই খুনের দায়ে ফেরারী আসামী হয়ে আছেন।

এ অবস্থায় তিনি সরকারের কিছু কর্মকর্তার সহায়তায় জালিয়াতি করে বাংলাদেশ থেকে ভূয়া পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট করেছেন, নিজের নাম পর্যন্ত বদল করেছেন। আল-জাজিরার এসব তথ্য কি মিথ্যে? প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, ফেরার আসামী হয়েও সেনাপ্রধানের ভাইরা বাংলাদেশে এসে এসএসএফ, পুলিশ, গোয়েন্দা এবং প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে সেনাপ্রধানের সন্তানের বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন।

এই তথ্য কি মিথ্যে? এর প্রমাণ হিসেবে আল জাজিরার প্রতিবেদনে দেখানো ছবি ও ভিডিও গুলো কি  কারসাজি করে করা? সেনাপ্রধানের কোন ভাই যদি সত্যি সত্যি আইনের উর্ধ্বে থাকেন, তাহলে এর পেছনে যুক্তিগুলো কি কি? এরকম এবং এরচেয়েও সেনসেটিভ কিছু বিষয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন  আসতে পারে। সরকারের তরফ থেকে তাই প্রতিবেদনটির জবাব থাকলে তা আরো স্পষ্ট করে বলা উচিত। দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলকে আরো ভালো করে বলা উচিত। কিশোরদের কার্টুন না, দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় আল জাজিরার এমন প্রতিবেদনে।

এই প্রতিবেদন মিথ্যে হলে, তা প্রমান করার সব ব্যবস্থাও তাই  সরকারের নেওয়া উচিত। আল জাজিরায় প্রতিবাদলিপি পাঠানো উচিত। তাদেরকে ক্ষমা প্রার্থনা এবং প্রতিবেদন প্রত্যাহার করতে বলা উচিত। এটি করতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের মামলা করা উচিত। সেই সৎসাহসের প্রত্যাশায় থাকলাম। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়