প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়াও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে ফুলবাড়িয়ায় ৯১১ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

সুজিৎ নন্দী: [২] ফুলবাড়িয়ায় সুপার মার্কেট-২ ডিএসসিসির অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান সকাল থেকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশও দফায় দফায় কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলেও প্রতিরোধের মুখে বেলা পৌনে দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। দিনব্যাপী ভবনের বেইজমেন্ট, পার্কিং ও মার্কেটের সামনে ৯১১টি অবৈধ দোকান উচ্ছেন করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় পরিস্থিতি থমথমে।

[৩] সোমবার মার্কেট কমিটির সভাপতিসহ নেতৃবৃন্দ মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে দেখা করে আপাতত না ভাঙ্গার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু এগুলো মেয়র নিয়ম বহির্ভ’ত কাজ বলে জানান। বেলা পৌনে একটার দিকে এক্সকাভেটর দিয়ে মার্কেটের নগর প্লাজার সামনের ফুটপাতে থাকা একটি দোকান ভাঙা শুরু করা হয়। এতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন দোকানিরা। তারা চারপাশ থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। শুরুতে পুলিশ ছুটে হটে। পরে কিছুক্ষণের মধ্যেই কয়েক রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছোড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল পুলিশ।

[৪] ডিএসসিসির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর এই বিপণিবিতানে ৯১১টি নকশাবহির্ভূত দোকান আছে। যার মধ্যে কিছু দোকান বিপণিবিতানের শৌচাগার, লিফটের জায়গা ও মানুষের হাঁটার পথে তৈরি করা হয়েছে।

[৫] বেলা ১১টার দিকে ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এ নকশা বহির্ভূত ৯১১টি দোকান উচ্ছেদ করতে আসে সিটি করপোরেশন। এ সময় তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন। কিন্তু দোকানিরা রাস্তায় অবস্থান নেওয়ায় অভিযান নির্ধারিত সময়ে শুরু করা যায়নি।

[৬] দোকানিদের দাবি, সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের সময় নকশাবহির্ভূত এসব দোকান বৈধ করতে অতিরিক্ত প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদার বৈধতার কথা বলে লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন। দোকানগুলোর বৈধতার কোন কাগজ নেই। তবে দোকানগুলো থেকে ডিএসসিসি এত দিন ভাড়াও নিয়েছেন।

[৭] সূত্র মতে, ২০১২ সালের জুলাই মাস থেকে ২০২০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত শুধু মাত্র এ, বি , সি ৩টি ব্লকে ৯১১টি দোকন থেকে ভাড়া আদায় করেছে ৪ কোটি ৪৫ লাখ ৮০ হাজার ২৯০ টাকা।

[৮] ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, নতুন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস দায়িত্ব নেওয়ার পর এই বিপণিবিতানের নকশাবহির্ভূত দোকান এবং এর সার্বিক পরিস্থিতি জানতে একটি কমিটি গঠন করে দেন। করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এই কমিটি বিপণিবিতানে নকশাবহির্ভূত ৯১১টি দোকান চিহ্নিত করে এবং সেগুলো উচ্ছেদের সুপারিশ করে। কমিটির সুপারিশে মেয়র সম্মতি দিয়ে নকশাবহির্ভূত দোকান উচ্ছেদের নির্দেশনা দেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত