শিরোনাম
◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল: অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক? ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা ◈ জুলাইয়ে সমাহিত হবেন খামেনি, ঘোষণা ইরানের ◈ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধে ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতা আমিরাতের? ১০-২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের তথ্য প্রকাশ করল রয়টার্স ◈ ‘দেশের মালিক ২০ কোটি মানুষ, কোনো দল বা পরিবার নয়, জনগণের সমর্থন নিয়েই দেশের ভাগ্য বদলাবে বিএনপি’

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০২০, ০২:০৫ রাত
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০২০, ০২:০৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারিরা মূলধন হারিয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকা

মো. আখতারুজ্জামান: [২] বিদায়ী সপ্তাহ পতনে শেষ হয়েছে দেশের উভয় পুঁজিবাজারের লেনদেন। সপ্তাহটিতে পুঁজিবাজারের সব সূচক কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর। সপ্তাহটিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন কমেছে।

[৩] জানা গেছে, চলতি সপ্তাহে উভয় পুঁজিবাজার মিলে মূলধন ৮ হাজার ১২৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা হারিয়েছে। এর মধ্যে ডিএসইতে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরু আগে বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ ৩ হাজার ৩৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকায়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৭৪ কোটি ৫ লাখ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে [৪] ডিএসইতে বাজার মূলধন ৩ হাজার ৭২১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা হারিয়েছে।
আর সিএসইতে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরু আগে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪১০ কোটি ৩৪ লাখ টাকায়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিব লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে বাজার মূলধন হারিয়েছে ৪ হাজার ৪০৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

[৫] বিদায়ী সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৪ হাজার ৬০৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহ থেকে ৫০ কোটি ১৮ লাখ টাকা বেশি হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৪ হাজার ৫৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকার। ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ৯২০ কোটি ৯৯ লাখ টাকার। আগের সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছিল ৯১০ কোটি ৯৫ লাখ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে গড় লেনদেন ১০ কোটি ৩ লাখ টাকা বেশি হয়েছে।

[৬] সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭৮.৩৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯১৬.৯৭ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৭.৮২ পয়েন্ট কমে ১১০৮.৮০ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪১.৩৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৬৬৯.৩৭ পয়েন্টে। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৫৯টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১১১টির, কমেছে ২১৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির বা ৮.৯১ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

[৭] অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে বিদায়ী সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ১৪৯ কোটি ৫ লাখ ৩২ হাজার ০০১ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২১৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ৬৮ কোটি ৯ লাখ টাকা কমেছে।

[৮] সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৫৮.০১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৯.৫০ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ১৫২.১১ পয়েন্ট, সিএসই-৩০ সূচক ২৫২.৬৫ পয়েন্ট, সিএসই-৫০ সূচক ২৬.৫৪ পয়েন্ট এবং সিএসআই ১৯.৭৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৮ হাজার ৪২৩.৩৭ পয়েন্টে, ১১ হাজার ৬১৭.৯৪ পয়েন্টে, ১০০২.৩৩ পয়েন্টে এবং ৯০৪.০৮ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১০৭টির দর বেড়েছে, ১৮০টির কমেছে এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়