শিরোনাম
◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল—প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোগীকে ধর্ষণ ওয়ার্ড বয়ের, এখন বলছে ওরা স্বামী-স্ত্রী!

ডেস্ক রিপোর্ট : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটিও করে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। তদন্ত কমিটি ওয়ার্ড বয় মাজিদুরকে অভিযুক্ত করে রিপোর্ট দাখিল করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মামুনুর রশিদ।

তিনি জানান, মাজিদুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত রিপোর্টে। তবে তারা বলছেন, এটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি।

এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ওয়ার্ড বয় মাজিদুল ওই কিশোরীকে বিয়ে করে ৬ লাখ টাকা দেনমহরে। ফলে মেয়ের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সাটুরিয়া হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। শুরুতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চেপে যায়। মেয়ের পরিবারও থানায় অভিযোগ করেনি। কিন্তু গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মেয়ের বাবা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। গত সোমবার এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। এরপরই টনক নড়ে স্বাস্থ্য বিভাগের। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত রিপোর্ট জামা দেয় কমিটি। যা গতকাল বুধবার গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে প্রকাশ করে।

বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বসে থাকেনি মাজিদুল। সে বিবাহিত এবং এক ছেলের বাবা হলেও ৬ লাখ টাকা দেনমহরে বিয়ে করে ওই কিশোরীকে। কিশোরীর গরীব বাবাও মেনে নেন মেয়ের এই বিয়ে।

স্থানীয় মাতব্বরদের ম্যানেজ করে গ্রাম্যভাবে রফা হওয়ায় মামলা দিতে রাজী হয়নি ধর্ষিতার পরিবার। ঘটনার কয়েক দিন পার হতেই ধর্ষক ও ধর্ষিতা দুইপক্ষই বলছে এটা স্বামী-স্ত্রী ভুল বোঝাবুঝির বিষয়।
সূত্র- কালেরকণ্ঠ

  • সর্বশেষ