শিরোনাম
◈ ব্রিকস সম্মেলনে ডলারের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা, কতটা সফল হবে জোট? ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলা‌দে‌শের আপাতত জায়গা হচ্ছে না, বুঝিয়ে দিল পাকিস্তান! ◈ তারেক রহমান ভারত সফরে আগ্রহী, তবে আগে চূড়ান্ত করতে হবে এজেন্ডা: দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন ◈ সংবাদমাধ্যমের অবদানেই আজকের অবস্থান, ফ্রি মিডিয়ার আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর ◈ ভারতের কাছে ১৯ গোল হজম কর‌লো পাকিস্তান ◈ ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের অভিষেকেই দলকে জেতালেন মে‌হেদী মিরাজ ◈ বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল সংসদে পাস ◈ ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন ◈ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, প্লাবিত হতে পারে পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল: পাউবো ◈ ‘বন্ধু’ আমিরাতের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ডাক, সঙ্গে আরও ৭ মুসলিম দেশ

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোগীকে ধর্ষণ ওয়ার্ড বয়ের, এখন বলছে ওরা স্বামী-স্ত্রী!

ডেস্ক রিপোর্ট : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটিও করে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। তদন্ত কমিটি ওয়ার্ড বয় মাজিদুরকে অভিযুক্ত করে রিপোর্ট দাখিল করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মামুনুর রশিদ।

তিনি জানান, মাজিদুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত রিপোর্টে। তবে তারা বলছেন, এটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি।

এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ওয়ার্ড বয় মাজিদুল ওই কিশোরীকে বিয়ে করে ৬ লাখ টাকা দেনমহরে। ফলে মেয়ের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সাটুরিয়া হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। শুরুতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চেপে যায়। মেয়ের পরিবারও থানায় অভিযোগ করেনি। কিন্তু গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মেয়ের বাবা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। গত সোমবার এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। এরপরই টনক নড়ে স্বাস্থ্য বিভাগের। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত রিপোর্ট জামা দেয় কমিটি। যা গতকাল বুধবার গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে প্রকাশ করে।

বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বসে থাকেনি মাজিদুল। সে বিবাহিত এবং এক ছেলের বাবা হলেও ৬ লাখ টাকা দেনমহরে বিয়ে করে ওই কিশোরীকে। কিশোরীর গরীব বাবাও মেনে নেন মেয়ের এই বিয়ে।

স্থানীয় মাতব্বরদের ম্যানেজ করে গ্রাম্যভাবে রফা হওয়ায় মামলা দিতে রাজী হয়নি ধর্ষিতার পরিবার। ঘটনার কয়েক দিন পার হতেই ধর্ষক ও ধর্ষিতা দুইপক্ষই বলছে এটা স্বামী-স্ত্রী ভুল বোঝাবুঝির বিষয়।
সূত্র- কালেরকণ্ঠ

  • সর্বশেষ