শিরোনাম
◈ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ বিরোধীদের চাপে নতি স্বীকার, ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি মোদি সরকার ◈ কিউবার পরিণতি ইরানের মতো হতে পারে, সতর্ক করছে মার্কিন গোয়েন্দারা ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করল পোলিশ ব্র্যান্ড এলপিপি ◈ সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার: বাড়ছে চুরি-ছিনতাই ও আইনশৃঙ্খলা ঝুঁকি ◈ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতেই নতুন সিন্ডিকেটের তৎপরতা, জনপ্রতি চাঁদা ১৭ কোটি টাকা ◈ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সন্দেহজনক লেনদেন ধরবে এআই, নজরে থাকবে অবস্থানও ◈ শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তারেক রহমান ◈ বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোগীকে ধর্ষণ ওয়ার্ড বয়ের, এখন বলছে ওরা স্বামী-স্ত্রী!

ডেস্ক রিপোর্ট : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটিও করে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। তদন্ত কমিটি ওয়ার্ড বয় মাজিদুরকে অভিযুক্ত করে রিপোর্ট দাখিল করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মামুনুর রশিদ।

তিনি জানান, মাজিদুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত রিপোর্টে। তবে তারা বলছেন, এটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি।

এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ওয়ার্ড বয় মাজিদুল ওই কিশোরীকে বিয়ে করে ৬ লাখ টাকা দেনমহরে। ফলে মেয়ের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সাটুরিয়া হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। শুরুতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চেপে যায়। মেয়ের পরিবারও থানায় অভিযোগ করেনি। কিন্তু গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মেয়ের বাবা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। গত সোমবার এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। এরপরই টনক নড়ে স্বাস্থ্য বিভাগের। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত রিপোর্ট জামা দেয় কমিটি। যা গতকাল বুধবার গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে প্রকাশ করে।

বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বসে থাকেনি মাজিদুল। সে বিবাহিত এবং এক ছেলের বাবা হলেও ৬ লাখ টাকা দেনমহরে বিয়ে করে ওই কিশোরীকে। কিশোরীর গরীব বাবাও মেনে নেন মেয়ের এই বিয়ে।

স্থানীয় মাতব্বরদের ম্যানেজ করে গ্রাম্যভাবে রফা হওয়ায় মামলা দিতে রাজী হয়নি ধর্ষিতার পরিবার। ঘটনার কয়েক দিন পার হতেই ধর্ষক ও ধর্ষিতা দুইপক্ষই বলছে এটা স্বামী-স্ত্রী ভুল বোঝাবুঝির বিষয়।
সূত্র- কালেরকণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়