শিরোনাম
◈ অনিশ্চিত অজিত দোভালের ঢাকা সফর ◈ বাংলাদেশের পাটপণ্যে নতুন শুল্ক বসাল ভারত, বাড়ল রপ্তানি চ্যালেঞ্জ! ◈ বিদেশে বাংলাদেশি মিশনে এমপিদের সফর-সভা নিয়ে নতুন নির্দেশনা ◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা! ◈ বার বার বিমান বাংলাদেশে স্বর্ণের চালান ও কর্মীসহ আটক: ‘স্বর্ণের খনি’ হয়ে উঠছে উড়োজাহাজ? ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রেইলার শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ কনটেইনার ডেলিভারি ◈ মিরপুরে হামলা-ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জামায়াতের ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা ◈ নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় এজহারভুক্ত আসামী গ্রেফতার মিজানুর রহমান ◈ দেশে চুরি হওয়া ফোন চীনে কিনে সেটি আবার ঢাকায়, প্র'তারিত বহু ব্যবসায়ী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোগীকে ধর্ষণ ওয়ার্ড বয়ের, এখন বলছে ওরা স্বামী-স্ত্রী!

ডেস্ক রিপোর্ট : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটিও করে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। তদন্ত কমিটি ওয়ার্ড বয় মাজিদুরকে অভিযুক্ত করে রিপোর্ট দাখিল করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মামুনুর রশিদ।

তিনি জানান, মাজিদুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত রিপোর্টে। তবে তারা বলছেন, এটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি।

এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ওয়ার্ড বয় মাজিদুল ওই কিশোরীকে বিয়ে করে ৬ লাখ টাকা দেনমহরে। ফলে মেয়ের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সাটুরিয়া হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। শুরুতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চেপে যায়। মেয়ের পরিবারও থানায় অভিযোগ করেনি। কিন্তু গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মেয়ের বাবা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। গত সোমবার এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। এরপরই টনক নড়ে স্বাস্থ্য বিভাগের। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত রিপোর্ট জামা দেয় কমিটি। যা গতকাল বুধবার গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে প্রকাশ করে।

বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বসে থাকেনি মাজিদুল। সে বিবাহিত এবং এক ছেলের বাবা হলেও ৬ লাখ টাকা দেনমহরে বিয়ে করে ওই কিশোরীকে। কিশোরীর গরীব বাবাও মেনে নেন মেয়ের এই বিয়ে।

স্থানীয় মাতব্বরদের ম্যানেজ করে গ্রাম্যভাবে রফা হওয়ায় মামলা দিতে রাজী হয়নি ধর্ষিতার পরিবার। ঘটনার কয়েক দিন পার হতেই ধর্ষক ও ধর্ষিতা দুইপক্ষই বলছে এটা স্বামী-স্ত্রী ভুল বোঝাবুঝির বিষয়।
সূত্র- কালেরকণ্ঠ

  • সর্বশেষ