শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা, ইউরোপে কমছে চাহিদা ও আয় ◈ মাত্র তিন মাসে কোটি টাকার হিসাবের বড় উল্লম্ফন ◈ কর্মসংস্থানে আসছে ১৪ লাখ বেকার ◈ সংসদে ইংরেজিতে বক্তব্য রাখলেন জেবা আমিন, স্পিকারের রসিকতা: ‘আগামী বছরের জন্য প্র্যাকটিস করতে থাকেন’(ভিডিও) ◈ ২৪ ঘণ্টার বদলে ৪৮ ঘণ্টার হলে হয়ত আরো বেশি কাজ করা যেত, দায়িত্বের একটা চাপ অসম্ভবভাবে অনুভব করছি: তারেক রহমান  ◈ কলকাতায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মোশাররফ করিম দম্পতি! ◈ এস আলমের বৈশ্বিক সাম্রাজ্য নিয়ে বাড়ছে নজরদারি, স্পটলাইটে রেনেসাঁ ও ফোর পয়েন্টস কেএল ◈ নিউইয়‌র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পুলি‌শের হস্ত‌ক্ষে‌পে প‌রি‌স্থি‌তি শান্ত ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আবারও শুরু হয়েছে সাতক্ষীরার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : [২] আবারও শুরু হয়েছে সাতক্ষীরার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। জলাবদ্ধাতার নিরসনের জন্য শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত প্রানসায়ের খালের দুই ধারে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতা থেকে শহরবাসিকে মুক্তি এবং প্রাণসায়র খাল রক্ষায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের সুলতানপুর বড়বাজার ব্রিজ সংলগ্ন ও পানিউন্নয়ন বোর্ডের পিছন থেকে এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। পৃথক দু’টি বুলডোজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের কাজ শুরু করা হয়।

[৩] উচ্ছেদ অভিযানে এ সময় নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইদ্রজিৎ কুমার সাহা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী রাশেদ রেজা বাপ্পি।

[৪] নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইন্দ্রজিৎ কুমার সাহা বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডর পিছন থেকে শহরের নারিকেলতলা পর্যন্ত প্রাণসায়ের খালের দু’ধারে রয়েছে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌরসভার জায়গা। ইতোপূর্বে প্রাণসায়ের খাল খননের লক্ষ্য কয়েকবার খালের দু’ধার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। শুধুমাত্র জেলা প্রশাসনের জায়গা জবর দখলকারিদের চিহ্নিত করে দু’টি বুলডোজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভাঙ্গার কাজ শুরু করা হয়েছে।

[৫] অভিযান পরিচালনাকালে প্রাণসায়র খালের জমি দখল করে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদস্থ কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, তালিকাভূক্ত সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা কারার জন্য জেলা প্রশাসক জেলাবাসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

[৬] উল্লেখ্য, এর আগে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চলতি বছরের শুরুতে “গ্রিন সাতক্ষীরা-ক্লিন সাতক্ষীরা” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলেও তা কিছুদিন বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে।সম্পাদনা : জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়