শিরোনাম
◈ প্রাথমিকভাবে আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কমিটি গঠন ◈ ডিসি সারোয়ারকে শোকজ ◈ ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগ, তালিকা প্রকাশ ◈ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা গ্রুপে অপরা‌জিত থে‌কে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে ◈ রোজার প্রথম দিনেই মুরগির দাম চড়া, কেজিতে বাড়লো ২০ থেকে ১০০ টাকা ◈ ৫০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়োগ নিয়ে দুই জোটে চলছে হিসাব-নিকাশ ◈ জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ বগুড়া থেকে হিরো আলম গ্রেপ্তার ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি: প্রতিরক্ষা চুক্তি ও বাণিজ্যে জোর ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা নিয়ে বিএনপিতেও 'বিস্ময়'

প্রকাশিত : ২৮ জুলাই, ২০২০, ১২:৪০ দুপুর
আপডেট : ২৮ জুলাই, ২০২০, ১২:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লীনা পারভীন: একজন প্রশাসক দুদিনও হলো না দায়িত্ব নিয়েছেন, আর অমনি আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে তুলে দিলাম

লীনা পারভীন: হেলথের নতুন ডিজির একটি বক্তব্যকে কোট করে কেউ কেউ তাকে দায়িত্ব নিতে না নিতেই বিরোধিতা করা শুরু করে দিয়েছেন। কেন? তিনি কী বলেছেন? প্রথম আলোর নিউজটি কি আপনারা পুরোটা পড়ে সমালোচনা করছেন, না কেবল সুচতুর হেডলাইন দেখেই? না পড়ে থাকলে আবার একটু কষ্ট করে পড়ে নিন। একটু দেখে নিই উনার বক্তব্যের অংশটুকু, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির জন্য শুধু সরকারকে দায়ী করলে হবে না। দুর্নীতির দায়টা সবার। ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকে সৎ না হলে কোনোভাবেই দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব নয়।’ এখানে উনার মূল ফোকাসটি ছিলো ব্যক্তি পর্যায়ের সততা। এই কথা কি আমরা অস্বীকার করতে পারবো যে প্রতিটা পর্যায়ের প্রতিটা ব্যক্তি যদি নিজে সৎ না হন বা থাকেন, তাহলে সার্বিক দুর্নীতি দূর করা সম্ভব? তাহলে উনি ভুল কোথায় বলেছেন?

তাহলে আসেন একটু বুঝি কেন তবে সমালোচনা বা প্রথম আলোই-বা এমন দৃষ্টিকাড়া হেডলাইন কেন করলো? আসলে তিনি শুরু করেছেন দুর্নীতির জন্য কেবল সরকারকে গালিগালাজ করলেই হবে না। আসলে সমস্যাটা উনি করেছেন এই কথাটি বলেই। তাছাড়া হয়তো আর কোনো সমস্যা হতো না। বাস্তবে এই কথার মধ্যেও কি ভুল কিছু আছে? আপনি-আমি চুরি করেই যাবো আর সরকারকে গালি দেবো কখন? যদি দেখি কোনো মেজার নেওয়া হচ্ছে না, আসলে তখনই সরকারের গালি প্রাপ্য হয়ে যায়। কোনো সমস্যার দুটি দিক দিয়ে সমাধান করা যায়।

এক হচ্ছে প্রিভেন্টিভ মেজার, আরেকটা হচ্ছে কিউরেটিভ মেজার। অনেক বছরের সমস্যাকে দূর করতে হলে দরকার উভয় দিকেই হস্তক্ষেপ। একদিকে সমস্যা আসবে তার প্রতিকার করতে হবে, আর অন্যদিকে উৎস চিহ্নিত করে সেটির রাস্তাকে চিরতরে বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়া। অন্তত করোনাকালীন সরকারের স্বাস্থ্যখাতকে কেন্দ্র করে যেসব ছোট ছোট হস্তক্ষেপ দেখা যাচ্ছে তা আসলে নির্দেশ করে উভয় দিকেই নজরের। তবে অপেক্ষা করতে হবে অনেকদিন। আর এই রাস্তাকে পরিষ্কার করতে হলে সরকারের পাশে থেকেই পরিষ্কারের কাজে হাত লাগাতে হবে। কেবল সমালোচনা নয়, সহায়তা দিয়েও পাশে থাকা দরকার। একজন প্রশাসক দুদিনও হলো না দায়িত্ব নিয়েছেন আর অমনি আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে তুলে দিলাম। এটা কি খুব সহায়ক কর্ম হচ্ছে? একজন ব্যক্তি যদি এসেই ডিমোরাইলজ হয়ে যান এবং প্রতিটা বক্তব্যকে পুনঃব্যখ্যা দিতে শুরু করেন তাহলে তিনি কাজটা শুরু করবেন কবে? কেমন করে? দয়া করে যিনি এসেছেন তাকে তার কাজটি শুরু করতে দেন। সমালোচনার জন্য তো গোটা জীবন পরেই রইলো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়