শিরোনাম
◈ পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা, কলকাতা যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৬ ঘণ্টা ◈ হোসাইনের ঘূর্ণিতে ঘায়েল ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ, ড্র হ‌লো প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ ◈ কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন, নিরাপদে বেরিয়ে এলেন ৩ শতাধিক পর্যটক ◈ বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি ১৫ দেশের ৪০৭ নাগরিক, সবচেয়ে বেশি ভারতীয় ◈ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেল‌তে ভারতে গে‌লো বাংলা‌দেশ হকি দল ◈ ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ◈ কানাডায় ২০৯ বাংলাদেশির ভিসা আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ, ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ এনসিপির ‘সুপার সিক্সটিন’ কী, কারা আছেন এই তালিকায় ◈ সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ◈ দেশে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় এবার পুলিশের বিশেষ ইউনিট

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২০, ০৩:১৬ রাত
আপডেট : ১৩ জুলাই, ২০২০, ০৩:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চলতি বছর হজে যেতে না পারা ব্যক্তিদের জন্য ৮টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়

ইয়াসিন আরাফাত : [২] এ তথ্য জানিয়ে আটটি নির্দেশনা সংবলিত জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। রোববার মন্ত্রণালয়ের হজ অনু-বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এগুলো প্রকাশিত হয়েছে।

[৩] বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর সৌদি আরবে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের মুসল্লি এবং সৌদি নাগরিকদের অংশগ্রহণে সীমিত পরিসরে হজ অনুষ্ঠিত হবে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য প্রাক-নিবন্ধিত ও নিবন্ধিত ব্যক্তিদের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় আটটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ৮ নির্দেশনা–
১. ২০২০ সালে হজ পালনের জন্য যাদের প্রাক-নিবন্ধনের মেয়াদ বৈধ ছিল তা ২০২১ সালের জন্য বহাল থাকবে।

২. সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় যেসব প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তি ২০২০ সালে হজে যাওয়ার জন্য চূড়ান্ত নিবন্ধন করেছিলেন তা ২০২১ সালের জন্য বৈধ থাকবে। নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকা ২০২১ সালের প্যাকেজ মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

৩. ২০২০ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল বিষয়ে ই-হজ সিস্টেমের ওপর সকল ব্যাংকের প্রতিনিধি, নিবন্ধন কেন্দ্রের প্রতিনিধি এবং নিবন্ধনকারী এজেন্সির প্রতিনিধিদের ১৩ জুলাই থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। হজ পালনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনও হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল করতে চাইলে হজ পাের্টালে বা নির্দিষ্ট লিংকে নিজে বা নিবন্ধন কেন্দ্র থেকে আবেদন করতে পারবেন।

৪. বাতিলের আবেদন অনুমােদিত হলে হজযাত্রীর অনুকূলে নিবন্ধন বাতিল ভাউচার তৈরি হবে এবং ২০২০ সালের নিবন্ধন ও প্রাক-নিবন্ধন দুটোই বাতিল হয়ে যাবে। ভবিষ্যতে তিনি হজে যেতে চাইলে নতুনভাবে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন বাতিলকারী ব্যক্তিকে কোনও ধরনের কর্তন ব্যতীত তার প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

৫. সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ নিবন্ধন বাতিলকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সােনালী ব্যাংক থেকে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত সমুদয় অর্থ অনলাইনে সরাসরি হজযাত্রীর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে। কোনও হজযাত্রীর ব্যাংক হিসাব না থাকলে তার ইচ্ছা অনুযায়ী পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। এজন্য তাকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নিবন্ধন বাতিল ভাউচার ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।

৬. বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত সমুদয় অর্থ হজযাত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী সরাসরি নিবন্ধনকারী ব্যাংক থেকে অনলাইনে হজযাত্রীর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর অথবা এজেন্সির মাধ্যমে প্রদান করা হবে। একেক নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত অর্থ পূর্বের মতো পরিচালক (হজ অফিস, ঢাকা) থেকে হজযাত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী সরাসরি তাকে অথবা এজেন্সির মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হবে।

৭. নিবন্ধিত হজযাত্রীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের সময় জমাকৃত অর্থ কোনও অবস্থাতেই বাংলাদেশে ব্যয় করা যাবে না এবং সৌদি আরবেও পাঠানো যাবে না। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ব্যতীত কোনও এজেন্সি ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলতে পারবে না। ২০২০ সালে নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকা ২০২১ সালের প্যাকেজ মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

৮. ২০২০ সালে নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকা যেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কোনও এজেন্সি তুলতে না পারে সেজন্য হজযাত্রী নিবন্ধনকারী সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপকদের দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরােধ করা হলো। ব্যাংক কর্মকর্তারা হজ নিবন্ধন বাতিলকারীর অর্থছাড় করার আগে যাত্রীদের পরিচয়পত্রের সঙ্গে ভাউচার নিশ্চিত করে নেবেন।

  • সর্বশেষ