প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]ফিট থাকলে তবেই মাঠে হিট হবেন ‘দ্য ফিজ’

ধারাবাহিক প্রতিবেদনের শেষ পর্ব
রাহুল রাজ : [২] টি-টোয়েন্টি অভিষেকেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০ রানে ২ উইকেট নিয়ে প্রমাণ করেন নিজেকে মোস্তাফিজুর। নেট বোলার থেকে ফিজ হয়ে একাদশের অবিচ্ছন্ন্ন অংশ। ক্যারিয়ারের শুরুতেই একের পর এক কাটারে কাটা পড়ল বিশ্বের বিধংসী ব্যাটিং লাইনের অনেক স্তম্ভ।

[৩] ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে সাসেক্সের পক্ষে মাঠে নামেন। ফর্ম এবং সময় দুটোই তখন আকাশে উড়ছিল কাটার মাস্টারের। কিন্তু ছন্দের পতন ঘটে টানা খেলার ধকলে কাঁধের ইঞ্জুরি। অস্ত্রপ্রচার করে ছয় মাস তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হয়। সুস্থ হয়ে ফেরার পর খেললেন নিউজিল্যান্ড সিরিজের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি।

[৪] তবে সেই পরিচিত মোস্তাফিজকে আর খুঁজে পাওয়া গেল না। যে ফিজ নিয়মিত ১৪০ ছুঁই ছুঁই গতি তুলে বল করতেন, লেট কাটার বা লাইন লেংথ বজায় রেখে আটকে দিতে ব্যাটসম্যানদের সেই ইংরাজী না বোঝা ছেলেটা আবার নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে থাকে। যখন মাঠে ফিরেছেন তখন আবার উইকেট তুলতে পারলেও আগের মত ভয়ঙ্কর রূপ খুব একটা ধারণ করতে পারেননি।

[৫] ব্যাটসম্যানদের রান দেবার সময় হয়েছেন বেশ খরুচে। ২০১৯ বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক লর্ডসে একদিনের ক্রিকেটে শততম উইকেট নিজের নামের পাশে যোগ করেন। ১০০ উইকেট নিতে মোস্তাফিজের লেগেছিল ৫৪টি ম্যাচ। যেখানে তার প্রথম দুই ম্যাচে ভারতের মত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে উইকেট ছিল ১১টি।

[৬] চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনবার ইঞ্জুরির আঘাতে ছিটকে পড়েছেন দল থেকে। নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জানান, মোস্তাফিজ যদি নিজের বোলিং বিভাগের সব অস্ত্র কাজে লাগাতে পারে তবেই বিশ্বকাপে বাংলাদের ভাল কিছু অর্জন করবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের আসল মহিমায় ফিরতে ফিজকে থাকতে হবে শতভাগ ফিট।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত