তিমির চক্রবর্ত্তী: [২] করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে প্রায় সকল বিপনী বিতান। জীবন-জীবিকা নিয়ে চরম উৎকন্ঠায় কর্মচারীরা। যমুনা টিভি
[৩] চট্রগ্রামের সবচেয়ে বড় টেরী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলায়েত হোসেন বলেন, এখানে ব্যবসায়ীরা রোজার তিন চার মাস আগে ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে মাল গুদামে মজুদ করেছে। শবেবরাতের পর থেকেই পুরোদমে শুরু হয় বেচা বিক্রি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন মাল বিক্রি হয়নি। আমাদের এখন টিকে থাকাই কঠিন।
[৪] তিনি আরও বলেন, এখানে ছোট-বড় ৮২ টি মাকের্টে প্রায় দুই হাজার ছোট বড় দোকান ও শোরুম রয়েছে। করোনার কারণে বন্ধ হওয়ার পর পনের থেকে বিশ হাজার শ্রমিক কর্মহীন।
[৫] সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান বলেন, ঈদ উপলক্ষে যে মালগুলো আনা হয়েছিলো তার একটিও বিক্রি হয়নি এখন পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা এখন হতাশায় রয়েছেন।
[৬] সানমার শপ ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ইফতেখার বলেন, আমারা চাচ্ছি ক্ষতি পুশিয়ে ওঠার জন্য সরকার একটা ক্ষুদ্র হলেও আমাদের সিমিত লাভে পাঁচ বছারের জন্য প্রনোদনা দেয়া হোক।
[৭] ফিনলে স্কয়ার শপ ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো: খালেদ বলেন, এখানে বড় বড় মার্কেট চালাতে বিশাল একটা খরচ হয়। বন্ধ থাকলেও এগুলো আমাদের পরিশোধ করতে হবে।