শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৬, ০৯:৩৩ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ন্যায্যমূল্য না পেয়ে সড়কে নেমেছেন পোল্ট্রি খামারিরা

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : ডিমের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণসহ পাঁচ দফা দাবিতে পাবনার ঈশ্বরদীতে
মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ ও ডিম ভেঙে অভিনব প্রতিবাদ করেছেন প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিরা।
রোববার দুপুর ১২টার দিকে ঈশ্বরদী পোল্ট্রি খামারি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে উপজেলার মুলাডুলি
বাজার এলাকায় ঈশ্বরদী-নাটোর মহাসড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অর্ধশতাধিক খামারি
অংশ নেন। কর্মসূচির একপর্যায়ে তাঁরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সরকারের
কাছে তাঁদের দাবি তুলে ধরেন। প্রায় ২০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ থাকায় মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি
হয়।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া খামারিদের হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার ছিল।
সেগুলোতে ‘ডিমের সঠিক দাম চাই, ন্যায্য অধিকার চাই’, ‘খাদ্যের দাম কমাও, খামারিদের বাঁচাও’ এবং ‘আমদানি নয়, দেশীয় খামার বাঁচাও’—এমন নানা স্লোগান লেখা ছিল।

খামারিদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ডিমের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ, করপোরেট প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে প্রান্তিক খামারিদের সহজ শর্তে বা কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা, পোল্ট্রি খাদ্যের দাম কমানো, পশুর ওষুধের ওপর শুল্ক কমিয়ে দাম কমানো এবং করপোরেট কোম্পানিনির্ভর সিন্ডিকেট ভেঙে ক্ষুদ্র খামারিদের স্বার্থ রক্ষা করা।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মুলাডুলি বাজারের বিপ্লব ভেটেরিনারির মালিক মো. বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘করপোরেট কোম্পানির সিন্ডিকেটের কারণে প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। একটি ডিম উৎপাদনে ৯ টাকার বেশি খরচ হলেও তাঁরা বাজারে প্রতিটি ডিম বিক্রি করছেন ৭ টাকা ৮০ পয়সায়।

লাভজনকভাবে খামার চালানোর জন্য প্রতিটি ডিমের দাম অন্তত ১০ থেকে ১০ টাকা ৫০ পয়সা হওয়া প্রয়োজন। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাদ্যের দাম কমানোর কথা বললেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।’ পোল্ট্রি খামারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও স্থানীয় খামারি মো. ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘খাদ্য ও ওষুধের দাম কমানো ছাড়াই বারবার ডিমের দাম কমানো হচ্ছে। এতে এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে খামার চালানো ক্ষুদ্র খামারিরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে তাঁরা সড়কে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।’

স্থানীয় খামারি মফিজউদ্দিন মানিক, আয়েন খাঁ ও মাসুদ গাজী বলেন, ‘২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রতি বস্তা পোল্ট্রি খাদ্যের দাম ছিল ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা। বর্তমানে সেই দাম বেড়ে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। কিন্তু উৎপাদন খরচ বাড়লেও ডিমের দাম সেই অনুযায়ী ঠিক করা হয়নি। ফলে ক্ষুদ্র খামার টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।’

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোছা. আকলিমা খাতুন বলেন, ‘কর্মসূচির বিষয়ে তাঁরা আগে থেকে জানতেন না। এ ধরনের কর্মসূচির আগে খামারিদের উপজেলা প্রশাসন ও
প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখে খামারিদের সঙ্গে কথা
বলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

  • সর্বশেষ