শিরোনাম
◈ রাতের আঁধারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ ◈ ছয় মাসেও বদলায়নি ঢাবির শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচ স্থাপনার নাম ◈ বিদেশে কর্মী পাঠানো কমেছে ৩৬ শতাংশ, বাড়ছে কর্মসংস্থানের সংকট ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে ৩১৭ রানে দিন শেষ বাংলাদেশের ◈ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী শহর সিঙ্গাপুর যে কারণে এখন সবচেয়ে দূষিত! ◈ আশুলিয়ায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, সাড়ে ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ◈ দত্তকের নামে ঢাকায় শিশু কেনাবেচার রমরমা বাণিজ্য, ছেলে ৩–৫ লাখ টাকায় বিক্রি ◈ স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: বিপদ জেনেও কেন ঘটনাস্থলে সিএনজি অটোরিকশা ফেলে যেতে হলো জানা গেল কারণ ◈ ট্রাম্পের পরা স্যুট বাংলাদেশে তৈরি, বিশ্ববাজারে পোশাকশিল্পের সাফল্য আলোচনায়! ◈ ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে বাধা দূর ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৮:১৬ সকাল
আপডেট : ২৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৮:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনা নিয়ন্ত্রণের কৌশল নিয়ে প্রশ্নের মুখে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, বিভক্ত মন্ত্রিপরিষদ

সিরাজুল ইসলাম: [২] করোনা শনাক্ত হওয়ার এক মাস পর সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিটে বসেন বরিস জনসন। বিবিসি

[৩] যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি বাঁচাতে লকডাউন প্রত্যাহার করবেন; না করোনার দ্বিতীয়দফা সংক্রমণ মোকাবিলা করবেন- তা নিয়ে দোটানায় রয়েছেন তিনি। তার কাছে শতশত মেসেজ এসেছে। সবাই জানতে চাচ্ছেন কবে এবং কীভাবে লকডাউন প্রত্যাহার করা হবে। রয়টার্স

[৪] সীমিত পরিসরে কাজে ফেরার মাধ্যমে বিশ্বের ৫ম বৃহৎ অর্থনীতির এই দেশটি লকডাউন প্রত্যাহারের প্রাথমিক ধাপে প্রবেশ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বপালনকরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব জানিয়েছেন, শারীরিক দূরত্ব আরও কিছুদিন মেনে চলতে হবে। এখনই সম্পূর্ণরূপে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করার সময় আসেনি।

[৫] শুরুতেই বরিস মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এরপর জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তিনি।

[৬] ২৭ মার্চ তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ৫ এপ্রিল তাকে সেইন্ট টমাস হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে তিনদিন ছিলেন তিনি। গার্ডিয়ান
[৭] সোমবার পর্যন্ত ব্রিটেনে ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৪০ জন করোনা রোগী শনাক্ত এবং ২০ হাজার ৭৩২ জন মারা গেছে। বিশে^ এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ২৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭০৯ জন, মারা গেছে ২ লাখ ৭ হাজার ২০ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৮ লাখ ৮১ হাজার ৫৬১ জন। ওয়ার্ল্ডোমিটার

  • সর্বশেষ