প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]মিরপুরের পাইকপাড়ায় অবহেলিত বাবা-মা এবং পরিচয়হীন শিশুদের পাশে রংপুরের এসপি বিপ্লব

আব্দুল্লাহ মামুন: [২] ‘করোনায় ভালো নেই পরিবারহীন বাবা-মায়েরা’ শিরোনামে ঢাকা টাইমসে সম্প্রতি একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি রংপুরের এসপির নজরে আসে। গত বৃহস্পতিবার বিকালে মিরপুরের পাইকপাড়ার চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ারে (বৃদ্ধ বৃদ্ধা ও প্রতিবন্ধী শিশু আশ্রয়কেন্দ্র) বিপ্লব তার একজন প্রতিনিধির মাধ্যমে সেনিটাইজারসহ বিভিন্ন পণ্য সেখানে পৌঁছে দেন।

[৩] দুটি বাড়িতে মিলটন সমাদ্দার নামে এক যুবক ১৬টি কক্ষে ৬৬ জন প্রবীণ ও ছয়টি শিশুর আশ্রয় দিয়েছেন। গত ছয় বছর ধরে তিনি সন্তানের মতোই আদর-স্নেহ করেন। কিন্তু করোনার কারণে আর্থিকভাবে বিপদে পড়েছেন মিলটন। আগে অনেকের সহায়তা পেলেও বর্তমানে সেটা পুরোপুরি বন্ধ। ফলে বিপাকে বৃদ্ধাশ্রমের অসহায় মানুষগুলো।

[৪] জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে যারা থাকছেন তাদের বেশির ভাগ পরিবারের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার। কাউকে রাস্তায় ফেলে রাখার পরে সেখানে ঠাঁই হয়েছে। আবার কাউকে পরিচয় গোপন করে পরিবারের সদস্যরা রেখে গেছেন। কাউকে আবার মানবিক কারণে বস্তির কুঁড়ে ঘর এখানে এনে রাখা হয়েছে। বয়সের ভারে সবাই বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত কঠিন রোগে আক্রান্ত।

[৫] মিলটন সমাদ্দার বলেন, সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পর রংপুরের পুলিশ সুপারের নজরে আসে। তিনি যোগাযোগ করে জানতে চেয়েছিলেন আমাদের কী দরকার! পরে উনাকে জানিয়েছিলাম, সেনিটাইজার জাতীয় পণ্য দরকার। আজ বেশকিছু পণ্য তিনি পৌঁছে দিয়েছেন।’

[৬] এসপি বিপ্লব বলেন, ‘কর্মসূত্রে আমি দীর্ঘদিন ঢাকায় ছিলাম। সেখানকার মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।’

[৭] আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার এর আগেও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন। করোনার কারণে রাজধানীতে অ্যাপসভিত্তিক শেয়ার রাইড বন্ধ থাকায় পরিবার নিয়ে অভুক্ত ছিলেন আলোচিত নারী পাঠাও শাহনাজ আক্তার। বিষয়টি বিপ্লবকে ফোনে জানান শাহনাজ। এরপর এক মাসের খাবার পৌঁছে দেন বিপ্লব।

[৮] এছাড়া কলাবাগানের এফএনএফ স্কুলের পথশিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। তাছাড়া নিজের কর্মস্থল রংপুরের অসহায় মানুষকে প্রতিনিয়ত খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি।

সর্বাধিক পঠিত