আশিক রহমান : [২] বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এই গভর্নর আরও বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাত অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তি।
[৩] কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। খাদ্যে এবারও উদ্বৃত্ত থাকবে। তবে করোনায় কৃষকেরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের বাঁচাতে হবে।
[৪] কৃষকেরা তার উৎপাদিত পণ্য, বিশেষ করে কাচা শাকসবজি বাজারে আনতে পারছেন না। দুধ মিষ্টি দোকানদাররা নিচ্ছেন না। যেসব কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য বিক্রি করতে পারছেন না, স্থানীয় প্রশাসন যদি সেসব ন্যূনতম দামে কিনে, যাদের প্রয়োজন, তাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে বিক্রি করা যেতে পারে।
[৫] ছোট ছোট অনলাইন ব্যবসায়ীদের কৃষি পণ্য বিক্রির কাজে লাগানো যায়। তাদের সঙ্গে কথা বলে একটা ব্যবস্থা করলে, পণ্যগুলো বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া যেতো।
[৬] কৃষকদের কার কী ক্ষতি হচ্ছে, এখন থেকে যদি তা লিপিবদ্ধ করে রাখা যেতো, ৬ মাস পরে হলেও তারা কিছুটা ক্ষতিপূরণ পেতে পারতো। কৃষকদের কথা আলাদা করে ভাবার সময় এসেছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান