শিরোনাম
◈ বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগকারীদের পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ ◈ ২৪ জেলার চিত্র বদলে দেবে পদ্মা ব্যারাজ ◈ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম যেসব ঘটনায় আলোচনায় ◈ মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে বাংলাদেশেই : প্রধানমন্ত্রী ◈ কিশোর–কিশোরীদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে পস্তাতে হবে না’ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনার ভেন্যুর শহরে বন্যা, সতর্কতা জারি ◈ দেশের স্বার্থেই কূটনৈতিক সফর, কারও মন জোগাতে নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ দুবাইয়ে আটক বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইতে পাঠানো হয়েছে প্রত্যর্পণ আবেদন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ, ২০২০, ০৭:৪৬ সকাল
আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০২০, ০৭:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনার প্রভাবে হোসেনপুরে কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষ, নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়ছে চরম দুর্ভোগ

হোসেনপুর প্রতিনিধি: [২] কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ। তাই চরম বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো। কোন কাজকর্ম না থাকায় পরিবার-পরিজনের মুখে আহার তুলে না দিতে পারায় হতাশায় ভুগছেন শ্রমজীবী নিম্নআয়ের মানুষ।

[৩] সরেজমিনে উপজেলা কুড়িঘাটে ঘুরে দেখা যায়, বহু শ্রমজীবী মানুষ কাজের সন্ধানে এসে কাজ না পেয়ে অসহায় হয়ে বসে রয়েছে।এসময় কাজের সন্ধানে আসা বাচ্চু মিয়া (৩২) কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমরা বাসাবাড়ির মেরামত, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, ঘাষ কাটা, মাটি ভরাট সহ যেকোন কাজ করি। দৈনিক সর্বনিম্ন ৫০০/ ৬০০ টাকা দিয়ে কাজ করি। আবার অনেক সময় ৪০০ টাকা দিয়েও করি। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে কোন কাজ না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনাহারে রয়েছি।

[৪] দীপ্বেশ্বর গ্রামের রংমিস্ত্রি বেলাল বলেন, আমি রংয়ের কাজ করি তবে কয়েক দিন ধরে কাজ না থাকায় এখন অন্য কাজ ধরতে এখানে এসেছি। এখন বাজারেও দেখি কোন কাজ নেই। তাই মারাত্মক সমস্যায় পড়েছি। জানিনা কি করবো।

[৫] শহরের রিকশা চালক মনু মিয়া,হাবুল মিয়া,ছমিরসহ অনেকেই আক্ষেপের সুরে বলেন,আগে দিনে যেখানে ছয়-সাতশ টাকা রোজগার করতেন এখন রাস্তায় কোনো যাত্রী না থাকায় রোজগার করতে পারছিনা। এখন কিভাবে সংসারে পরিবারের ভরণপোষণ চালাবো তা নিয়ে খুবই চিন্তায় আছি।
উপজেলা কাওনা গ্রামের অটোরিকশা চালক কুদ্দুস, মোতালিব জানান, রাস্তায় কোন যাত্রী না থাকায় অটো নিয়ে এখন বেকার অবস্থায় পড়ে আছি।

[৫] ধনকুড়া গ্রামের কাজের বুয়া সালেহা জানান, হোটেলে রান্নার কাজকরতাম ।এখন হোটেল বন্ধ থাকায় কাজ করতে পারছি না এখন কিভাবে যে চলবো তাই দিশেহারা। তাই সরকারি ভাবে খাদ্য সরবরাহের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোরালো দাবি জানিয়েছেন অনাহারে-অর্ধাহারে থাকা শ্রমজীবী নিম্নআয়ের ভুক্তভোগী মানুষেরা। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়