প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃষকদের পরিশ্রমে বদলে গেছে কুমিল্লার কৃষির চিত্র

মাজহারুল ইসলাম : দেড় যুগ ধরে কৃষিক্ষেত্রে এই জেলায় সবজি চাষে নীরব বিপ্লব ঘটেছে। সবজির উৎপাদন দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকদের আয়ও বেড়েছে। চান্দিনা, বুচিড়ং, বরুড়া, দাউদকান্দি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলতি বছর ব্যাপক শীলকালীন সবজি চাষ হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, লালশাক, লাউ, শিম, বেগুন, পটল, মূলা, আলু, টমেটো, পালংশাকসহ হরেক রকমের কাঁচা তরিতরকারি। এসব সবজি শীতল আবহাওয়ায় সবচেয়ে ভালো হয়। কৃষকরা এসব সবজি চাষ করে কম সময়ে অধিক লাভবান হওয়ার দিন দিন চাহিদা বেড়েই চলছে। সূত্র : বাসস

এসময় শীতকালীন শাক-সবজির দাম বেশি হয়ে থাকে। সেই কারণে কৃষকরা সবজি চাষে ব্যস্ত সময় কাটায়। মুনাফার আশায় কৃষকরা এবছরও প্রচুর পরিমান সবজি চাষ করছেন। যদিও সার, বীজসহ আনুষঙ্গিক পণ্যসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে মাঝে মধ্যেই কৃষকরা হোঁচট খায়। তবে পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা আরও অধিক জমিতে সবজি চাষে আগ্রহী হবে বলে জানান এলাকার কৃষকরা। আর তা সম্ভব হলে উপজেলার কৃষিখাত আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।

বর্তমানে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার ছায়কোট, শ্রীমন্তপুর, চান্দিয়ারা, পিহর এসব এলাকার যেদিকেই দৃষ্টি দেয়া যায় সেদিকেই সবুজের সমারোহ। সবজির মধ্যে বর্তমানে শিম, লাউ, পটল, বেগুন অধিক লাভজনক। শিম ও বেগুন চাষে লাভ বেশি হওয়ায় অনেকেই এতে উৎসাহিত হচ্ছেন। মিষ্টি কুমড়া, কচু, আলু ইত্যাদি ফসলের প্রতিও কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কম সময়ে সবজি চাষে বেশী লাভ হয় বলে অনেকে ঝুঁকে পড়ছেন সবজি চাষে।

শ্রীমন্তপুর গ্রামের কৃষক আলী মিয়া জানান, এক কানি জমিতে বেগুন চাষ করলে খরচ হয় ১৫-২০ হাজার টাকা। এ জমিতে ২ থেকে আড়াইশত মণ বেগুন হয় । এতে প্রায় দেড় লাখ টাকা লাভ আসে। এ বছর সবজির দাম বেশি পাওয়ায় অনেক কৃষকের ভাগ্য বদলে গেছে।

কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের সুরজিত চন্দ্র দত্ত বলেন, কৃষি স¤প্রসারণ বিভাগের নজরদারি ও উপজেলা পর্যায়ে চাষীদেরকে কৃষি কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ, পরামর্শসহ সবধরণের লজিষ্টিক সার্পোট দেওয়াতে এবং আবহাওয়া সময উপযোগী হওয়ায় এবারে লক্ষ্যমাত্রা অনেক ছাড়িয়ে যাবে। সম্পাদনা : তন্নীমা আক্তার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত