শিরোনাম
◈ বুকিং ডটকমে ভুয়া তালিকা ও ফিশিং প্রতারণা ঠেকাতে ইইউর কড়া নির্দেশ, পেইড তালিকায় স্বচ্ছতার তাগিদ ◈ মানিকগঞ্জে গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন কূপ খনন করবে বাপেক্স, সম্ভাবনা ঢাকায় গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ◈ সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে যা জানালো মিশন ◈ দুবাই-শারজাহজুড়ে বাতাসে জ্বালানি তেলের গন্ধ, কারণ অনুসন্ধানে তদন্তে কর্তৃপক্ষ ◈ মক্কায় আকস্মিক বন্যায় ভেসে গেল ৩ শিশু, একজনের মৃত্যু, নিখোঁজ আরেকজন ◈ অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে মাসে ২০ দিন ডিজে পার্টি, সিসা সেবন, অশালীন নাচ ও উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ প্রতিবেশীরা(ভিডিও) ◈ ডিভি লটারি ২০২৭ নিবন্ধন নিয়ে নতুন জটিলতা, আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের আপিল ◈ ইরাকের কুর্দিস্তানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর, ভিসা ও রেসিডেন্সি জরিমানায় ৭৫% ছাড় ◈ নভেম্বর থেকে পিঠা-পুরি, ঝালমুড়ির দোকানসহ সব খাদ্য ব্যবসা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, না মানলে শাস্তি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ শুরু ২১ জানুয়ারি, বাংলা‌দে‌শের প্রথম ম্যাচ আমিরাতের বিপক্ষে

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:২২ রাত
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০২:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সংশোধিত নাগরিক আইন করে গণতন্ত্র বিপন্ন করছেন মোদি, দ্য ইকনমিস্টের প্রতিবেদন

রাশিদ রিয়াজ : ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ‘সিএএ’ এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি ‘এনআরসি’ ইস্যুতে নিয়ে লন্ডনের ‘দ্য ইকনমিস্ট’ পত্রিকা বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত বলে মন্তব্য করেছে।

‘দ্য ইকনমিস্ট’ পত্রিকার সাম্প্রতিক ইস্যুতে বলা হয়েছে, ‘ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত! তাঁদের আশঙ্কা, নরেন্দ্র মোদি ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ গঠনের দিকে এগোচ্ছেন। গতমাসে ভারত সরকার যে আইন এনেছে, তাতে মুসলিম বাদে বাকিদের নাগরিকত্ব পাওয়া সহজ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১৩০ কোটি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাই করতে উদ্যত হয়েছে বিজেপি সরকার, যাতে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করা যায়। কিন্তু ২০ কোটি মুসলিমদের অধিকাংশেরই নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। দেশ হারানোর পথে তাঁরা। যাঁরা জালে ধরা পড়বেন, তাঁদের জন্য ডিটেশন ক্যাম্প তৈরিরও নির্দেশ দিয়েছে সরকার।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনে বিজেপির জন্য যা অমৃত সমান, ভারতের জন্য তা রাজনৈতিক বিষ। সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি-নিয়ম বিসর্জন দিয়ে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন মোদি, তা ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোর ক্ষতিসাধন করবে। আগামী কয়েক দশক ধরে এর ফল ভুগতে হবে ভারতকে।’

‘দ্য ইকনমিস্ট’ বলেছে, নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রদায়িক পদক্ষেপ গ্রহণ ভারতের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে ভেঙে দিচ্ছে। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছে নরেন্দ্র মোদির। তিনি জানেন জনসংখ্যার একটা অংশের সমর্থন রয়েছে তাঁর কাছে। সেজন্য ‘হিন্দুত্বের হাওয়া’ আরও জোরদার করার পথে এগোচ্ছেন তিনি।

এদিকে, ‘দ্য ইকনমিস্ট’-এর প্রতিবেদনে ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা বিজয় চৌথাইওয়ালে বলেছেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা চলে গিয়েছে। কিন্তু দ্য ইকনমিস্টের সম্পাদকরা এখনও ঔপনিবেশিক যুগেই বাস করছেন। দেশের ৬০ কোটি মানুষ মোদিকে ভোট দিয়েছেন। তাতেই গোঁসা হয়েছে ওঁদের।’

অন্যদিকে, আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমে প্রকাশ, দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম-এর মঞ্চ থেকে ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকারকে তীব্র সমালোচনা করেছেন, মার্কিন-হাঙ্গেরীয় ধনকুবের জর্জ সোরস। ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় গণতন্ত্রকে মোদি ‘ধ্বংসের মুখে’ ঠেলে দিচ্ছেন বলে জর্জ সোরস মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ভারতে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নরেন্দ্র মোদী সরকার কাশ্মীরে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ গঠনে উদ্যোগী। সরকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে। এটা ভারতে সব চেয়ে বড় এবং ভয়ঙ্কর ধাক্কা।’

জর্জ সোরস ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ‘সিএএ’ এবং জম্মু-কাশ্মীর থেকে সেরাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ সুবিধা সম্বলিত ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের কথাই বলতে চেয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • সর্বশেষ