শিরোনাম
◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩ ◈ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি শুরু করল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ স্পীকারের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় ককাস গঠনের ওপর গুরুত্ব ◈ ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত—নির্দলীয় ভোটেও বিএনপি-জামায়াতের সমর্থনেই জমবে লড়াই ◈ ছাত্রদলের দুই ধারার দ্বন্দ্বে ইতি, একই মঞ্চে আমান–রিজভী: রাজনীতিতে নতুন বার্তা ◈ আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত প্রতিবেদন ◈ উদ্বোধনী ম‌্যা‌চে ভারত-পা‌কিস্তান মু‌খোমু‌খি, সাফে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ ভুটান

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:২০ সকাল
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্ভয়ার ধর্ষক-খুনিদের ফাঁসি কার্যকর বিলম্ব হওয়ায় বিজেপি-এএপির বাগযুদ্ধ

সিরাজুল ইসলাম : বৃহস্পতিবার বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাবেদকর বলেন, আম আদমি পার্টির (এএপি) দুষ্কর্মের কারণে ফাঁসি কার্যকরে বিলম্ব হচ্ছে। তারা সহানুভূতি দেখাচ্ছেন।

তিনি প্রকাশ বলেন, অপরাধীদের এখনই ফাঁসি দিতে হবে। এএপি সরকারের উচিত ছিলো- সুপ্রিমকোর্ট প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের জানিয়ে দেওয়া। এখনও তাদের ফাঁসি কার্যকর না হওয়ার জন্য দায়ী এএপি সরকারের অবহেলা। তাদের উচিত- দুই একদিনের মধ্যেই দোষীদের মৃত্যুদÐ কার্যকরের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া।

জাবেদকরের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এএপি নেতা সঞ্জয় সিং বলেন, এই বিজেপি নেতা মিথ্যাচার করেছেন। তিনি অসংবেদনশীল মন্তব্য করেছেন। দোষীদের শাস্তি না হওয়ার জন্য বিজেপি দায়ী। মানুষকে বিভ্রান্ত না করে বিজেপি নেতার উচিত- সংবেদনশীল একটি বিষয় অবজ্ঞা না করে ক্ষমা চাওয়া। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, রাজধানী শহরের আইন-শৃঙ্খলার বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায় পড়ে।

নির্ভয়ার ধর্ষক ও খুনিদের ২২ জানুয়ারি ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু দিল্লি সরকার হাইকোর্টকে বুধবার বলেন, তাদের ফাঁসি কার্যকরে দেরি হবে। কারণ তাদের একজনের প্রাণভিক্ষার আবেদন বিবেচনাধীন রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ ও নির্ভয়ার মায়ের অভিযোগ, আসামিরা ইচ্ছাকৃতভাবে আবেদন করে আইনী প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করছে।

৭ জানুয়ারি আসামি মুখেশ কুমার সিং, বিনয় শর্মা, আকাশ কুমার সিং ও পাওয়ান গুপ্তের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন হাইকোর্ট। মুখেশের প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে রয়েছে।

  • সর্বশেষ