ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা এবং পরবর্তীতে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতের বিরোধী চীন। এবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তা আরও স্পষ্ট করেছেন। তার ভাষ্য মতে, শুধু বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না তার দেশ। সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বেইজিং।
বেইজিংয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, এই যুদ্ধ কখনোই শুরু হওয়া উচিত ছিল না এবং এর অব্যাহত থাকারও কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।
বৈঠক শেষে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এসব জানানো হয়েছে।
এ সময় তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় চীনের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। চীন দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করে আসছে এবং সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেও দেশটি যুদ্ধবিরতির পক্ষে অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আছেন। তবে আপাতত সামরিক অভিযান চলছেই। এতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে।
কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, ইরানের ড্রোন হামলা প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের নৌবাহিনী প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রমও সীমিত হয়ে গেছে।