প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরস্বতী পূজার দিনই ভোট হতে হবে, ভোট করতে হবে, না করলে দুনিয়া কেয়ামত হয়ে যাবে, এমন কোনো কিছুর সম্ভাবনাই ছিলো না!

 

সুলতান মির্জা : প্রথমতো নির্বাচন কমিশন একটি আলাদা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সরকারের নির্বাহী বিভাগ প্রধানের কোনো হাত থাকে না, তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারের মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন। প্রশ্ন হচ্ছে সরস্বতী পূজা নিয়ে, এই পূজা একটি নির্দিষ্ট ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, স্বাভাবিকভাবেই সেই ধর্মের লোকেদের কাছে সরস্বতী পূজার গুরুত্ব অনেক। সংখ্যা বিবেচনায় উক্ত ধর্মের লোকেরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যার।

সেই হিসেবে আমাদের নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্তকরণের দিনে সরস্বতী পূজার গুরুত্ব আমলে না নিয়ে ভুল করেছে। যখন নির্দিষ্ট ধর্মের পক্ষ থেকে নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে দেয়ার দাবি উঠেছে তখন নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিলো ধর্মীয় গুরুত্ব আমলে নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বিষয়টা আদালত পর্যন্ত যেন না যায় সেটা নিশ্চিতকরণের। নির্বাচন কমিশন তা করেনি, কেন করেনি সেটা হয়তো তারাই বলতে পারবে।

তবে সরস্বতী পূজার দিনই ভোট হতে হবে, ভোট করতে হবে, না করলে দুনিয়া কেয়ামত হয়ে যাবে, বাংলাদেশ মাটিতে মিশে যাবে, আমেরিকা হামলা করবে, এমন কোনো কিছুর সম্ভাবনাই ছিলো না। দেশ সাম্প্রদায়িকতার দিকে ছুটে চলেছে কি না সেটা ভিন্ন ইস্যুজ, তবে এটা স্পষ্ট সরস্বতী পূজার দিনই ভোট করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়ে আদালতের রায় পুনঃবিবেচনা করার আহ্বান জানাচ্ছি। এ জন্য যে, দেড় কোটি জনগণের নগরীতে হিন্দু ধর্মীয় ভোটারের সংখ্যা প্রচুর। এখন যদি কোনো কারণে সরস্বতী পূজার দিন হিন্দু ভোটারেরা ভোট দিতে না যায়, ভোট কেন্দ্রে যদি উপস্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে ভোটার উপস্থিতি কম থাকার কারণে নির্বাচন যদি প্রশ্ন বিদ্ধ হয়, তাহলে এর দায় নেবে কে? আদালত নাকি নির্বাচন কমিশন? বিষয়টা নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগেই পরিষ্কার করে বলার দাবি জানাচ্ছি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত