শিরোনাম
◈ এবার প্রবাসীদের বড় দুঃসংবাদ দিল সৌদি আরব ◈ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বেহাল দশা, ম‌্যাচ জিত‌লো আফগা‌নিস্তান ◈ নবম পে-স্কেলে বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের কতো শতাংশ, যা জানা গেল ◈ কীভা‌বে ১৯৯১ এর নির্বাচনে বিএনপির 'বিস্ময়কর' জয় এসেছিলো ◈ ঠেলাগাড়িতে বসে নীরবে ভিক্ষা করে কোটিপতি, আছে বহুতল ৩ বাড়ি ও মারুতি সুজুকি গাড়ি ◈ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে হাঙরের হামলা, মৃত্যুর মুখে ২ তরুণ (ভিডিও) ◈ ইভ্যালির রাসেল-শামীমা আবারো গ্রেপ্তার ◈ ২৩ জানুয়া‌রি নয়া‌দি‌ল্লি‌তে আওয়ামী লীগের সংবাদ স‌ম্মেলন, কী উ‌দ্দে‌শে নেতারা বারবার এ‌টি কর‌ছেন?  ◈ বি‌শ্বের দ্রুততম মানব উসাইন বোল্ট‌কে এবার অ‌লি‌ম্পি‌কে দেখা যা‌বে ক্রিকেটার হিসা‌বে ◈ এনসিপি নেতা পরিচয় দিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, আটক ৩

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০৩ দুপুর
আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সূর্যের খুব কাছে অবাক করা কান্ড দেখলো নাসার মহাকাশযান

মাজহারুল ইসলাম : ‘পার্কার সোলার প্রোব’ নামের ওই মহাকাশযান এমন সব ঘটনা দেখলো, যা এর আগে আর কেউ ভাবতেও পারেননি। পার্কার সোলার প্রোব যেসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে, সম্প্রতি তা প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান জার্নাল ‘নেচার’ এর ৪টি গবেষণাপত্রে। আনন্দবাজার

নাসার মহাকাশযান পার্কার সোলার প্রোব ২০১৮’র ১২আগস্ট সৌর অভিযানে রওনা হয়। নাসার মহাকাশযান এই প্রথম যেসব অবাক করা কাণ্ডের হদিস পেলো, তা সৌরমন্ডলে ইসরোর মহাকাশযানের খুব কাজে লাগবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

দেখা গেলো, সূর্য থেকে বেরিয়ে এ সৌরমন্ডলে পৃথিবীসহ অন্য গ্রহগুলির দিকে ছুটে আসতে আসতে হঠাৎই ‘মতিভ্রম’ হয় সৌরবায়ু বা সোলার উইন্ডের। সেগুলি আবার উল্টোমুখে সূর্যের দিকেই ছুটে যায়। তারপর খামখেয়ালে ইলেকট্রন, প্রোটনের মতো খুব ছোট ছোট কণা নিয়ে সে আবারও সেকেন্ডে ৯০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি গতিবেগে ছুটতে শুরু করে অন্য গ্রহগুলির দিকে। তখন তার তাপমাত্রা থাকে ১০ লক্ষ ডিগ্রি কেলভিন। সৌরবায়ুর এই খামখেয়ালিপনা সূর্যের সর্বত্র এক রকমভাবে হয় না। কোথাও তা বেশি আবার কোথাও বা কম দেখা যায়।

পার্কার সোলার প্রোবই প্রথম দেখলো, সূর্যের কাছাকাছি এমন এলাকা রয়েছে, যেখানে কোনও ধুলোবালি নেই। যাকে একেবারেই ‘ডাস্ট-ফ্রি জোন’ বলা যায়। এতোদিন বিজ্ঞানীরা জানতেন, ব্রহ্মাান্ডের সর্বত্রই ছড়িয়ে রয়েছে মহাজাগতিক ধূলিকণা (কসমিক ডাস্ট)। কিন্তু এই প্রথম দেখা গেলো, সূর্যের কাছাকাছি এমন জায়গাও রয়েছে, যেখানে থাকতে পারে না মহাজাগতিক ধূলিকণারাও। সূর্যের তাপ তাদের জ্বালিয়ে, পুড়িয়ে নিঃশেষ করে দেয়।

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইসার-কলকাতা)’এর অধ্যাপক সৌরপদার্থবিজ্ঞানী দিব্যেন্দু নন্দী বলছেন, সবচেয়ে অবাক করা ঘটনা সৌরবায়ুর আচমকা উল্টোমুখী হয়ে পড়া। যাকে ‘সুইচব্যাক’ বলা হচ্ছে।

নৈনিতালের ‘আর্যভট্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ অবজারভেশনাল সায়েন্সেস (অ্যারিস)এর কর্মকর্তা সৌরপদার্থবিজ্ঞানী দীপঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, সূর্যের কোথাও কোথাও সৌরবায়ু অনেক ধীর গতিতে বইছে। আবার কোথাও তা অনেক বেশি জোরালো। এ সবের ফলে, বোঝা সহজতর হবে, পৃথিবীতে প্রাণ সৃষ্টির অনুকুল পরিবেশ তৈরির জন্য সূর্য কতটা শক্তিশালী ছিলো। সম্পাদনা : তন্নীমা আক্তার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়