শিরোনাম
◈ সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ইরফান সোলতানির প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর কর‌ছে ইরান! ◈ ফেসবুক লাইভে এসে পুলিশের বাইকের কাগজ দেখতে চাওয়া সেই সাগর হালদারকে গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি (ভিডিও) ◈ ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধের জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ: অধ্যাপক আলী রীয়াজ ◈ ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি মর্গেই ১৮২ মরদেহ, ভিডিও ভাইরাল ◈ নির্বাচনে চাপমুক্ত দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা চায় পুলিশ: ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা ◈ বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপে বিএনপি, সামাল দিতে না পারলে হিতে বিপরীত হতে পারে  ◈ আমার সব সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়েছে, ডিভোর্সের পর প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে বিস্ফোরক বক্সার মেরি কম ◈ বাংলাদেশি আম্পায়ার ভারতে আসতে পারলে বাংলাদেশ দল কেন বিশ্বকাপ খেলতে পারবে না: ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর দা‌বি ◈ ফুটবলে দর্শককে লাল কার্ড দেখি‌য়ে নজীরবিহীন ঘটনার জম্ম দি‌লেন রেফা‌রি ◈ মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত ইরান ত্যাগের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০৩ দুপুর
আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:০৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সূর্যের খুব কাছে অবাক করা কান্ড দেখলো নাসার মহাকাশযান

মাজহারুল ইসলাম : ‘পার্কার সোলার প্রোব’ নামের ওই মহাকাশযান এমন সব ঘটনা দেখলো, যা এর আগে আর কেউ ভাবতেও পারেননি। পার্কার সোলার প্রোব যেসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে, সম্প্রতি তা প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান জার্নাল ‘নেচার’ এর ৪টি গবেষণাপত্রে। আনন্দবাজার

নাসার মহাকাশযান পার্কার সোলার প্রোব ২০১৮’র ১২আগস্ট সৌর অভিযানে রওনা হয়। নাসার মহাকাশযান এই প্রথম যেসব অবাক করা কাণ্ডের হদিস পেলো, তা সৌরমন্ডলে ইসরোর মহাকাশযানের খুব কাজে লাগবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

দেখা গেলো, সূর্য থেকে বেরিয়ে এ সৌরমন্ডলে পৃথিবীসহ অন্য গ্রহগুলির দিকে ছুটে আসতে আসতে হঠাৎই ‘মতিভ্রম’ হয় সৌরবায়ু বা সোলার উইন্ডের। সেগুলি আবার উল্টোমুখে সূর্যের দিকেই ছুটে যায়। তারপর খামখেয়ালে ইলেকট্রন, প্রোটনের মতো খুব ছোট ছোট কণা নিয়ে সে আবারও সেকেন্ডে ৯০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি গতিবেগে ছুটতে শুরু করে অন্য গ্রহগুলির দিকে। তখন তার তাপমাত্রা থাকে ১০ লক্ষ ডিগ্রি কেলভিন। সৌরবায়ুর এই খামখেয়ালিপনা সূর্যের সর্বত্র এক রকমভাবে হয় না। কোথাও তা বেশি আবার কোথাও বা কম দেখা যায়।

পার্কার সোলার প্রোবই প্রথম দেখলো, সূর্যের কাছাকাছি এমন এলাকা রয়েছে, যেখানে কোনও ধুলোবালি নেই। যাকে একেবারেই ‘ডাস্ট-ফ্রি জোন’ বলা যায়। এতোদিন বিজ্ঞানীরা জানতেন, ব্রহ্মাান্ডের সর্বত্রই ছড়িয়ে রয়েছে মহাজাগতিক ধূলিকণা (কসমিক ডাস্ট)। কিন্তু এই প্রথম দেখা গেলো, সূর্যের কাছাকাছি এমন জায়গাও রয়েছে, যেখানে থাকতে পারে না মহাজাগতিক ধূলিকণারাও। সূর্যের তাপ তাদের জ্বালিয়ে, পুড়িয়ে নিঃশেষ করে দেয়।

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইসার-কলকাতা)’এর অধ্যাপক সৌরপদার্থবিজ্ঞানী দিব্যেন্দু নন্দী বলছেন, সবচেয়ে অবাক করা ঘটনা সৌরবায়ুর আচমকা উল্টোমুখী হয়ে পড়া। যাকে ‘সুইচব্যাক’ বলা হচ্ছে।

নৈনিতালের ‘আর্যভট্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ অবজারভেশনাল সায়েন্সেস (অ্যারিস)এর কর্মকর্তা সৌরপদার্থবিজ্ঞানী দীপঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, সূর্যের কোথাও কোথাও সৌরবায়ু অনেক ধীর গতিতে বইছে। আবার কোথাও তা অনেক বেশি জোরালো। এ সবের ফলে, বোঝা সহজতর হবে, পৃথিবীতে প্রাণ সৃষ্টির অনুকুল পরিবেশ তৈরির জন্য সূর্য কতটা শক্তিশালী ছিলো। সম্পাদনা : তন্নীমা আক্তার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়