প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কসবায় ‍দুই ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

জান্নাতুল ফেরদৌসী: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত ও শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। এঘটনায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখি হাসিনা শোক প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে। এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি দুর্ঘটনায় আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন।

দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (১২) ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে কসবা এ দুর্ঘটনা ঘটে।  তবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস, পুলিশসহ স্থানীয় জনগণ। উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে দুটি রিলিফ ট্রেন, খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। এঘটনার পর থেকে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

ঘটনা তদন্তে রেল ও জেলা প্রশাসনের দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী ৭২৪ উদয়ন এক্সপ্রেস-২৯৩৪ মন্দভাগ লুপ লাইনে প্রবেশকালে সিগন্যাল অমান্য করে ঢাকা অভিমুখী ৭৪১ তুর্ণা এক্সপ্রেস-২৯২৩ বিপরীত দিক থেকে এসে সংঘর্ষ ঘটায়। তুর্ণার ইঞ্জিনের আঘাতে উদয়নের শেষ তিনটি বগি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তুর্ণা নিশীথা ট্রেনটি সিগন্যাল অমান্য করে লাইনে ঢুকে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ধাক্কা দিয়েছে। তবে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিতু মরিয়মকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করে প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে দিয়ে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি আহতের চিকিৎসারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত