শিরোনাম
◈ এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি ◈ সিম বদল, বাসা বদল, চেহারা পরিবর্তন: আট মাস যেভাবে পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ◈ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে বিদেশিদের ভিসা প্রদানে বিশেষ নির্দেশনা জারি ◈ মানিকগঞ্জে হাসপাতালে গৃহবধূকে ধর্ষণ, কারাগারে ২ আনসার সদস্য (ভিডিও) ◈ মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ে ট্রাইব্যুনাল: শেখ হাসিনা খুব সহজেই আন্দোলনের অবসান ঘটাতে পারতেন  ◈ পুলিশকে কুপিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল হামলাকারীরা, আহত ৫ পুলিশ সদস্য ◈ রিকশা–ভ্যান–অটোচালকদের কষ্টের কথা শুনলেন তারেক রহমান ◈ ‘সহায়তা আসছে, বিক্ষোভ চালিয়ে যান,’ ইরানিদের উদ্দেশ্যে বললেন ট্রাম্প ◈ নির্বাচন ও গুম তদন্ত ইস্যুতে জাতিসংঘের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার আলোচনা, চাইলেন সহায়তা ◈ বুধবার ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি

প্রকাশিত : ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:২০ সকাল
আপডেট : ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাত নভেম্বর : বাসদের জন্ম-স্মৃতি ও মঈন উদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুর শোক

 

মাসুদ রানা : বাসদের প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর। দিনটি একই সঙ্গে রুশ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের দিবসও বটে। ফলে বিশ্বের যেখানেই থাকি না কেন, তারিখটি ভুলতে পারি না। সাত নভেম্বর ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বরের কথা ভাবছিলাম আমার প্রাত্যহিক বাংলাদেশ-ভাবনার অংশ হিসেবেই। আর তখনই বাংলাদেশের একাধিক অনলাইন পত্রিকায় জানতে পেলাম, মঈন উদ্দীন খান বাদল - সেই বাসদের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য ও অধুনা বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি- আর নেই। এখনও যাঁরা বাসদ করছেন, তাদের অনেকেই শোক প্রকাশ করতে লক্ষ করছি। এক সময়ে একত্রে রাজনীতি করার স্মৃতিকাতরতায় যারা মইন উদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন, তারা সঠিক কাজটিই করছেন।

আমিও আন্তরিকভাবে শোক প্রকাশ করছি। মানুষের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলে কোন আদর্শের কী জাত যায় জানি না, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা ও দানবীর জাসদ-বাসদের নেতা আব্দুল্লাহ সরকারের মৃত্যুতে স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠ আদর্শবাদীদের শোক প্রকাশ না করা যে তাদের নীচুতা ছিলো তা আমি তখনো বলেছি এবং এখনো বলছি। সব নেতাকেই একদিন না একদিন মরতেই হবে। মৃত্যুকালে ভিন্নমতের হলেও জীবনের কোনো এক সময়ে একসঙ্গে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন লালনের স্মৃতি তর্পে যদি পুরোনো সাথীর চির-বিদায়ে শোক জানানো হয়, তাতে ভালো ছাড়া মন্দের কী ছিলো, তা আমার বোধে আসেনি। ১৯৮৩ সালের ২৯ মার্চ বাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগের কাউন্সিলে আফম মাহবুবুল হক ও মঈন উদ্দীন খান বাদল এসেছিলেন। তখন দলের মধ্যে ভাঙন প্রক্রিয়া চলছিলো মাহমুদুর রহমান মান্নার অব্যাহতি নিয়ে, আর সেদিন মাহবুবুল হক ছিলেন অব্যাহতির পক্ষে আর মঈনউদ্দীন খান বাদল ছিলেন বিরুদ্ধে।

কেন্দ্রীয় কমিটিতে আমরা অধিকাংশই ছিলাম মাহমুদুর রহমান মান্নার অব্যাহতির পক্ষে। সেদিন (রাতে) মঈন উদ্দীন খান বাদল বোধগম্য কারণেই একটি কথা বলেছিলেন ইংরেজিতে, যা আমার মতো সেখানে উপস্থিত সকলেরই মনে থাকার কথা : Comrade, this is not a question of majority and minority; this is a question of upholding the truth! (সাথীরা, এটি সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘুর প্রশ্ন নয়, এটি হচ্ছে সত্যকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার প্রশ্ন)। মঈন উদ্দীন খান বাদল সত্যকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে পেরেছিলেন কিনা জানি না, কিন্তু তার সে-কথাটি যে আমার মনে দাগ কেটেছিলো, সেটি আজ তার প্রয়াণে গভীর অনুভূতির সঙ্গে স্মরণ করছি। ৭ নভেম্বর ২০১৯, ল-ন, ইংল্যা-। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়