শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:০৭ সকাল
আপডেট : ০৫ নভেম্বর, ২০১৯, ০৬:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে সচিবালয়ে, মেয়র থাকতে নগর ভবনে কতোবার গিয়েছি হিসেব নেই, কতো আদর-স্নেহ পেয়েছি এই বীর মুক্তিযাদ্ধার সেসব কথা মনে পড়ছে

জ.ই. মামুন : ২০০১ সালের নির্বাচনের অল্প কদিন আগে, একুশে টেলিভিশনের রিপোর্টার হিসেবে আমি তখন বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী প্রচারণার সংবাদ সংগ্রহ করি। একুশে তখন তুমুল জনপ্রিয়, সেই সুবাদে আমাকেও লোকজন চিনতে শুরু করেছে। সেদিন আমার এসাইনমেন্ট ছিলো কোতয়ালি সূত্রাপুর এলাকায় সাদেক হোসেন খোকার নির্বাচনী প্রচারণার খবর সংগ্রহ করা।
খোকা ভাই ব্যস্ত ছিলেন বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগে। সেদিন সন্ধ্যায় তাকে পেলাম সদরঘাটের কাছাকাছি এক মহল্লায়। তিনি হাঁটছেন, পেছনে কর্মী সমর্থকদের ভিড়, তুমুল স্লোগান- খোকা ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন। আমিও হাঁটছিলাম তার পেছনে। এক পর্যায়ে তার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কয়েকজন আমাকে কাঁধে তুলে নিলেন এবং স্লোগান দেয়া শুরু করলেন- মামুন ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন! সে কী বিব্রতকর পরিস্থিতি আমার জন্য! এর বছর তিনেক পরে তিনি তখন ঢাকার মেয়র। মিন্টো রোড়ের একটা লাল বাড়িতে থাকেন। তিনি একটা টেলিভিশন শুরু করবেন, নাম বাংলা ভিশন। আমাকে ডাকলেন কী করে টেলিভিশন চালাতে হয়, কী করে নিউজ ভালো করা যাবেÑ এসব বিষয় আমার কথা শুনতে। কথা শোনার আগে আমরা একসঙ্গে ভাত খেলাম, মাগুর মাছ দিয়ে। কতো কথা হলো। অনেকে হয়তো জানেন, তিনি আমাকে তার টেলিভিশনের দায়িত্ব নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছিলেন। তার গোপীবাগের বাসায় একাধিকবার গিয়েছি, মন্ত্রী হিসেবে সচিবালয়ের অফিসে গিয়েছি, মেয়র হিসেবে নগর ভবনের অফিসে কতোবার গিয়েছি হিসেব নেই। সংসদ ভবনের অফিসে গিয়েছি। কতো আদর- স্নেহ পেয়েছি! আজ এই বীর মুক্তিযাদ্ধার মৃত্যু সংবাদ শুনে সেসব কথা একে একে মনে পড়ছে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ