শিরোনাম
◈ ১২ হাজারের বেশি অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি ◈ বিশ্বকা‌পে চমক দেখা‌নো কেপ ভার্দের ফুটবলাররা দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন ◈ 'আমার মৃত্যুর পর আমার লাশ যেনো এফডিসিতে নেওয়া না হয়': রোজিনার বিস্ফোরক মন্তব্য ◈ মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা, ৩ বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যু ◈ বিচার বিভাগে বড় পরিবর্তন, একযোগে ৩৮ বিচারকের নতুন পদায়ন ◈ যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক সদর দপ্তর ‘দি অক্টাগন’ উদ্ভোধন করল মিশর ◈ ‌বিশ্বকা‌পে এবার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা কতদূর যাবে,জা‌নি‌য়ে দি‌লো সুপারকম্পিউটার  ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নতুন পরিকল্পনা ◈ বিশ্বের ১০ জনবহুল দেশের ৮টিই নেই বিশ্বকাপে: কেন পিছিয়ে বাংলাদেশ-ভারত? ◈ মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা জারি

প্রকাশিত : ২০ মে, ২০১৯, ১২:৩৩ দুপুর
আপডেট : ২০ মে, ২০১৯, ১২:৩৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত কাপড় কালোবাজারিতে, ধ্বংসের মুখে টেক্সটাইল খাত

মোহাম্মদ মাসুদ : ইসলামপুরসহ রাজধানীর কয়েকটি বাজারে প্রতিদিন বানের পানি মতো ঢুকছে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা বিদেশি কাপড়। অথচ শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা এসব কাপড় শতভাগ রফতানিমুখী গার্মেন্টে ব্যবহার করার কথা। যুগান্তর

কিন্তু গার্মেন্ট মালিক নামধারী দেশের স্বার্থবিরোধী একটি চক্র এসব কাপড় কালোবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও কয়েকটি শক্তিশালী চক্র। যারা অন্যের বন্ড লাইসেন্সে মোটা অংকের কমিশনের বিনিময়ে চুটিয়ে এই চোরাকারবারির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে শুধু দেশের সম্ভাবনাময় টেক্সটাইল বা বস্ত্র খাতই ধ্বংস হচ্ছে না, সরকারও হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শুধু বন্ডের কাপড় চোরাচালান করেই শূন্য থেকে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন অনেকে। যাদের মধ্যে কেউ কেউ এক সময় ছিলেন হকার, সেলসম্যান কিংবা প্রবাসী শ্রমিক। খুব কম সময়ের মধ্যে তারা এখন সমাজের উঁচু তলার মানুষ বনে গেছেন।

খোদ রাজধানীর ইসলামপুরে চোরাই কাপড়ের বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। কিন্তু প্রকাশ্যে দিনের পর দিন প্রশাসনের নাকের ডগায় এতবড় অপরাধ সংঘটিত হলেও রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন চোখ-কান বন্ধ করে বসে আছে। অথচ এর নেতিবাচক প্রভাবে দেশের টেক্সটাইল খাত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধাভোগী এই চক্রের ফাঁদে পড়ে দেশের শিল্প বিনিয়োগে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, শুল্ক ও কর এবং মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে আমদানি হওয়া সুতা কাপড়সহ বিভিন্ন পোশাক পণ্য অবাধে স্থানীয় বাজারে বিক্রি হচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে দেশের রফতানিমুখী স্পিনিং ও উইভিং মিলগুলোতেও। শুধু কাপড় নয়, পিপি দানা ও বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল থেকে শুরু করে সব ধরনের বন্ড সুবিধার পণ্যই এভাবে চলে যাচ্ছে কালোবাজারে।

বিশ্লেষক ও ভুক্তভোগী শিল্প উদ্যোক্তারা বলেন, রক্ষকরা এখানে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। যে কারণে দিনেদুপুরে ডাকাতি হওয়ার মতো এ রকম রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের বিষয়ে আজ অবধি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। মাঝেমধ্যে লোক দেখানো কিছু অভিযান ও মামলা হয়। কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তারা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা বলেন, এখনও বন্ডের সীমাহীন এই অপব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব না হলে টেক্সটাইল খাতের অবশিষ্ট যা আছে তা অচিরেই গ্রাস করে ফেলবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়