শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:১২ দুপুর
আপডেট : ১৬ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:১২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঠোঙ্গার দোকানে ৩৮ মণ বোর্ডের বই !

নাঈম কামাল : জেলার নবীনগর পৌর এলাকার শহীদ মিয়ার ঠোঙ্গা তৈরির দোকানে শনিবার দুপুরে একাধিক ভ্যান গাড়ি থেকে অসংখ্য বই নামাতে দেখেন স্থানীয়রা। জাগরণ

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ইতি বেগম। এ সময় দেখা যায়, দোকানের ভেতরে স্তুপিকৃত আকারে রাখা শত শত বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠার মলাটগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের এসব বইয়ের মধ্যে ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের শিক্ষাবর্ষের অনেক বই রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুমের নির্দেশে চার সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়। মঙ্গলবার তদন্ত কমিটিকে রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

দোকানি শহীদ মিয়া জানান, ১২ টাকা কেজি দরে প্রায় ১৮ হাজার টাকায় ৩৮ মণ ওজনের এসব বইখাতা নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কিনে এনেছেন। বইয়ের মলাটগুলো আগে থেকেই ছেঁড়া ছিলো।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন জানান, সরকারি যে কোনো জিনিস নিলাম ছাড়া বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।
প্রধান শিক্ষক কাউছার বেগম জানান, স্টোররুম থেকে পুরানো বই খাতা সরানোর দায়িত্ব ছিলো নীহার রঞ্জন চক্রবর্তীর। বই বিক্রির বিষয়টি আমি জানি না।

নীহার রঞ্জন চক্রবর্তী জানান, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশ ছাড়া বই বিক্রির কথা কি কেউ বিশ্বাস করবে?

  • সর্বশেষ