শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৪৮ রাত
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৩:৪৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাণিজ্য মেলায় দৃষ্টিনন্দন দেশীয় পাটপণ্যে আগ্রহ দর্শনার্থীদের

জাবের হোসেন : ‘বাংলার পাট বিশ্বমাত’ ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার দেয়ালে এই স্লোগান সাঁটানো একটি প্যাভিলিয়ন, নজর কাড়ছে দর্শনার্থীদের। এই প্যাভিলিয়ন রয়েছে দেশিয় পাটপণ্য। দেশের প্রতি ভালোবাসা আর ব্যবহার উপযোগিতা, এই দুইয়ে মিলেই চলছে দৃষ্টিনন্দন এসব পণ্যের কেনাবেচা। বেশ আগ্রহ নিয়েই প্যাভিলিয়নে ভেতরে আসছেন ক্রেতারা। ছিমছাম পরিপাটি ছোট ছোট স্টলে নিজেদের পণ্য সাজিয়ে বসেছেন দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। (সময় টিভি)

যেখানে মিলছে নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী ব্যাগ, পার্স, জুটের তৈরি ওড়না-চাদর, জুতো, টেবিল-ডাইনিং, ফ্লোরম্যাট ও খেলনা সামগ্রী। আছে ঘর ও অঙ্গসজ্জার অলংকারও। প্রচারণা বাড়াতে অনেক প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে মূল্যছাড়। তবে, ক্রেতার আস্থা ধরে রাখতে গুণগত মান বাড়ানোর পরামর্শ দর্শনার্থীদের।

দর্শনার্থীরা দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসব পণ্য কিনছেন। তবে কেনার আগে বারবারই দেখে নিচ্ছেন পছন্দের পণ্যটি কতটা মানানসই। সেই সঙ্গে দামে আরো ছাড় চান তারা। দর্শনার্থীরা বলেন, পাটের পণ্যের মধ্যে পুতুল, ব্যাগ আকর্ষণীয়। তবে এই পণ্য আরেকটু ডিজাইনের দিক থেকে উন্নত করা প্রয়োজন। তারা জানান, পাট পণের দাম একটু বেশি, আরেকটু কম হলে অনেক বিক্রি হত।

জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার-জেডিপিসি'র এই প্যাভিলিয়নের বিক্রেতারা জানালেন, দু'একটি ছাড়া সব স্টলেই বেচাকেনা চলছে প্রত্যাশা মতো। মেলার শেষ দিকে বিক্রি বাড়বে বলেও আশা তাদের। বিক্রেতা জানান, পাট পণ্যের মধ্যে ব্যাগ বেশি বিক্রি হচ্ছে। আমরা সবসময় পণ্যগুলো বাইরে রপ্তানি করে থাকি, এবার মেলায় তুলে দেখছি দেশে কেমন বিক্রি হচ্ছে। বিক্রি ভাল হচ্ছে, দামও কম আছে। দেশে-বিদেশে পাটজাত পণ্যের বাজার সস্প্রসারণে সরকারকে গবেষণার পরিসর বাড়ানোর পরামর্শ ক্রেতা-দর্শনার্থীদের।

  • সর্বশেষ