প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘ধামরাইয়ে স্নোটেক্স পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের নিরাপত্তার কোন ঘারতি নেই’

রাসেল হোসেন, ধামরাই (ঢাকা): ঢাকার ধামরাইয়ের ডুলিভিটায় স্নোটেক্স আউটারওয়্যার পোশাক কারখনায় অজ্ঞতা রোগে অসুস্থ হয়ে পড়া শ্রমিকরা চিকিৎসা শেষে অবশেষে কাজে যোগ দিয়েছে। হাসপাতালে দু’দিন চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকদের মতামতের প্রেক্ষিতে শ্রমকিদের মনের আতঙ্ক কেটেছে।

মঙ্গলবার সকালে তারা কর্মস্থলে যোগ দিয়েছে বলে কারখানা সূত্রে জানা গেছে।।

অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ মঙ্গলবার দুপুরে উক্ত কারখানাটির বিভিন্ন ফ্লোর পরিদর্শন শেষে তিনি তদন্ত বোর্ডের মতামতের ভিত্তিতে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, কারখানাটিতে নিরাপত্তার কোন অভাব নেই। শ্রমিক সাধারণের মাঝে অজানা এক আতঙ্কের কারণে দেশের অন্যতম শ্রমিক ও পরিবেশ বান্ধব পোশাক কারখানাটির শ্রমিকরা মাথা ঘুরে পড়েন এবং বমি করেন।

তাদের ডাক্তারি পরীক্ষা ও আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় তাৎক্ষণিকভাবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের কারণে আরএমজি থেকে এ কারখানাটি পদক লাভ করেছে। যথেষ্ট নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা হয়েছে এ কারখানাটিতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাা গেছে, ৮টি ফ্লোরে পুরোদমে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছে। শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্যভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। শ্রমিকরা বলেছে, রোববার বিকালে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যাই এবং বমিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। চিকিৎসা নেয়ার পর সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দিয়েছি। বর্তমানে পূর্বের মতই কর্মচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছি।

কারখানার ডিজিএম এএইচএম মো. কামরুজ্জামান বলেন, রোববার বিকালে কয়েকজন শ্রমিক মাথা ঘুরে পড়ে গেলে তাদের দেখাদেখি প্রায় ২শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে তাদের হাসপাতালে নেয়া হয় উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য।

তারা ধামরাই সরকারি আবাাসিক মেডিক্যাল, নয়ারহাট গণবিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার যথারীতি কাজে যোগ দিয়েছে। বর্তমানে তাদের আর কোন সমস্যা নেই বলে চিকিৎসকরা মতামত ব্যক্ত করেছেন।

স্নোটেক্স আউটারওয়্যার পোশাক কারখানার সহকারি পরিচালক (অপারেশন) মোঃ জয়দুল হোসেন বলেন, খাবার ও পানিতে কোন বিষক্রিয়া নেই। কারণ নিজস্ব ডিপটিউবওয়েলের পানি পিউরিফাইং করে এবং আফতাব ও ব্রাক পোল্ট্রি ফার্ম থেকে মুরগী ও কাজী ফার্ম থেকে ডিম আনা হয় শ্রমিকদের জন্য। বাইরের কোন খাবার কারখানায় আনা হয়না। এরপরও শ্রমিকদের অসুস্থতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানকে বিপাকে পড়তে হয়। ডাক্তারি পরীক্ষার পর খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত