রফিক আহমেদ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মকবুল আহমাদ বলেছেন, হঠাৎ করে সরকার পুরনো ঢাকায় অবস্থিত পরিত্যাক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে বিচারালয় বসিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু সরকারের এই উদ্যোগ অন্যায়, অনভিপ্রেত ও মানবাধিকারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। বুধবার এক বিবৃতিতে জামায়াতের আমীর এ প্রতিক্রিয়া জানান।
আমীর মকবুল আহমাদ ২০ দলীয় জোট নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সরকার প্রকাশ্যে বিচার করার পরিবর্তে কারাগারের মধ্যে বিচারালয় বসিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার বিচারের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা ক্যামেরা ট্রায়ালের শামিল। জেলখানার মধ্যে আদালত বসিয়ে কোন রাজনৈতিক নেতা বা নেত্রীর বিচার হতে পারে না। এটা সংবিধানের সুস্পষ্ট লংঘন। বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিক্যাল ৩৫ (৩) ধারা মতে এ ধরনের মামলা প্রকাশ্যে হতে হবে। এখানে ক্যামেরা ট্রায়াল করার কোন সুযোগ নেই।
আরো পড়ুন : ২৪০ আসনে আ. লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত, বাকী আসন জোটের জন্য
আরো পড়ুন : কিছুই চূড়ান্ত হয়নি, তবুও বাজারে ‘নৌকার’ ভুয়া তালিকা!
জামায়াতের আমীর বলেন, সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন যাবত কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। কারাগারে বন্দী করে রেখে তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাওয়া থেকেও বঞ্চিত করেছে। এ অবস্থায় তার অসুস্থতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ না দিয়ে সরকার তার প্রাপ্য নাগরিক অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করছে।
কারাগারে আদালত বসিয়ে বিচারের নামে প্রহসন বন্ধ করে অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেয়ার জানান।
আরো পড়ুন : অসুস্থতায় অাদালতে পুরো সময় কাপছিলেন খালেদা
আরো পড়ুন : প্রশাসন ক্যাডারে সুবিধা বেড়েছে দফায় দফায়
আরো পড়ুন : দূর্ভোগে সাধারণ মানুষ, বেকার কয়েক হাজার পরিবহন শ্রমিক
আরো পড়ুন : সংবিধানে কোথাও নেই, জেলে বিশেষ আদালত বসানো যাবে না: কাদের